বিনোদন

নির্বাচন কমিশন নিয়ে প্রাণবন্ত বিতর্ক করেছি

ঢাকা, ২১ জানুয়ারী , (ডেইলি টাইমস ২৪):

হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। দেশে বিতর্কচর্চাকে এগিয়ে নিতে নিরলস কাজ করছেন। সম্প্রতি তাঁর সঞ্চালনা ও পরিচালনায় ‘ইউসিবি পাবলিক পার্লামেন্ট’ অনুষ্ঠানের গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হলো। এই আয়োজন নিয়ে আজ কথা বলেছেন তিনি। জানালেন, এই গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠান ২৬ জানুয়ারি বেলা ১১টা ০৫ মিনিটে এটিএন বাংলায় প্রচারিত হবে।

‘ইউসিবি পাবলিক পার্লামেন্ট’ প্রতিযোগিতা সম্পর্কে জানতে চাইছি।
অনেক আগে থেকেই টেলিভিশনে বিতর্ক অনুষ্ঠান পরিচালনা করছি। গত ২০ বছরে ‘ভাষা দিবস বিতর্ক’, ‘স্বাধীনতা দিবস বিতর্ক’, ‘কন্যাশিশু দিবস বিতর্ক’, ‘মাদকবিরোধী বিতর্ক’, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিতর্ক’, ‘অভিবাসী দিবস বিতর্ক’, ‘দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক’, ‘নির্বাচনী বিতর্ক’, ‘ক্যাম্পাস পার্লামেন্ট’, ‘ইয়ুথ পার্লামেন্ট’সহ অনেকগুলো বিতর্ক প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজন করেছি। সর্বশেষ ২০১৭ সালে ইউসিবি পাবলিক পার্লামেন্ট বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করি। এই প্রতিযোগিতায় দেশের সরকারি-বেসরকারিসহ ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতার প্রথম, দ্বিতীয়, কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমি ফাইনাল পর্বে উত্তীর্ণ হয়ে ১৩ জানুয়ারি গ্র্যান্ড ফাইনালে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি একে অপরের মুখোমুখি হয়। ফাইনালে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যাপারে আগ্রহী হলেন কেন?
এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমসাময়িক বিষয়ে সংসদীয় ধারার বিতর্ককে সম্পৃক্ত করা। দেশের ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। এবার আয়োজনের প্রতিটি ছায়া সংসদই ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চেষ্টা করেছি সমসাময়িক বিষয়গুলো সামনে নিয়ে আসতে। আমি বলব, এ কাজে আমরা সফল হয়েছি। আমরা দেখেছি প্রতিটি ইস্যুতেই তুমুল বিতর্ক হয়েছে। বিতর্কের মধ্য দিয়ে ভালো ভালো পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা উঠে এসেছে। গ্র্যান্ড ফাইনালে কিন্তু আমরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা নিয়ে প্রাণবন্ত বিতর্ক করেছি। এখানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

টেলিভিশনে ‘পার্লামেন্ট ধারার বিতর্ক’ আয়োজনের ব্যাপারে কী উদ্দেশ্য ছিল?
কয়েক বছর ধরে পার্লামেন্ট ধারার বিতর্ক করছি। শুধু করেছি তা নয়, প্রতিটি আয়োজনই খুব সফল হয়েছে। এখানে দেশের নামী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অংশ নিয়েছে। এর আগে ক্যাম্পাস পার্লামেন্টে দেশের শীর্ষ সব কটি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করেছিল। এই ধারার বিতর্ক আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো গণতন্ত্রের প্রতি তরুণ সমাজকে আগ্রহী করে তোলা। নতুন প্রজন্মের চিন্তার সঙ্গে আমরা মিলিয়ে দেখতে চেয়েছি, যাঁরা দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁদের ভাবনার কতটা মিল রয়েছে। এখানে আমরা সত্যিই তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং অন্যদের চিন্তার সেতুবন্ধ করতে চেয়েছি।

Related Articles

Close