রাজনীতিলিড নিউজ

ওয়াদা করেন আবারও নৌকায় ভোট দেবেন : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ৩০ জানুয়ারী , (ডেইলি টাইমস ২৪):

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটবাসীর উদ্দেশ্যে বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ডিসেম্বরে হবে। সেই নির্বাচনে আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। নৌকা স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, নৌকা সমৃদ্ধির পথ দেখিয়েছে। নৌকা উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আপনারা হাত তুলে ওয়াদা করেন নৌকায় ভোট দেবেন। আপনারা সচেতন থাকবেন, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দুর্নীতির স্থান বাংলার মাটিতে নেই।গতকাল সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের কাছে আহ্বান-আপনারা অতীতে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন। এ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দেশের মানুষ স্বাধীনতা পেয়েছে। এ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, সম্মান পেয়েছে। আমরা এ দেশে কোনো অন্যায়-অবিচারকে বরদাস্ত করবো না। কোনো জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের স্থান বাংলার মাটিতে হবে না।

বিএনপি দেশকে ধ্বংস করতে জানে

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের চিন্তা-চেতনা আর ওদের চিন্তা-চেতনায় কী তফাৎ আপনারাই বুঝতে পারেন। যারা এতিমের টাকা মেরে খায়, যারা জনগণকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারে, যারা মানুষ সেজে ধ্বংস করতে জানে, দেশকে ধ্বংস করতে জানে, বাংলাদেশকে পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করে তারা কীভাবে একটা দেশের উন্নতি করবে? তারা নিজেদের ভিক্ষুক হিসেবে অন্যের কাছে হাত পেতে চলতে চায়।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ হাত পেতে চলবে না। বাংলাদেশ উন্নত হবে, সমৃদ্ধশালী হবে। বাংলাদেশের মানুষ দেশে এবং প্রবাসে সম্মানের সঙ্গে এগিয়ে যাবে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশের সুনাম হয়। বিএনপি জোট ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশকে তিরস্কার করা হয়। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ এটাই হয়ে যায় তাদের মূল কাজ। বাংলাদেশকে উন্নয়নের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আপনারা একবার চিন্তা করে দেখেন, ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ যদি পুনরায় ক্ষমতায় না আসতো দেশ উন্নত হতো না। উন্নয়নের ছোঁয়া আপনারা পেতেন না, দেশবাসী পেতো না। কারণ লুটেরা আসলে লুটপাট করে খেতো আর সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ চালাতো। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে বলেই দেশের উন্নয়ন হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ শান্তি চায়। জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস দূর করতে পেরেছি বলে সিলেট আজ শান্তির নগরী। মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারে। এ শান্তি যেন বজায় থাকে। শান্তি থাকলে উন্নয়ন হবে। এ উন্নয়নের মাধ্যমে একেবারে গ্রামপর্যায়ের মানুষের উন্নয়ন হবে। তারা নিজের পায়ে দাঁড়াবে, স্বাবলম্বী হবে। বিজয়ী দেশ হিসেবে আমাদের এ দেশকে আমরা উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো।

সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা নির্বাচনের কাজ শুরু করেছি। এ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করেছি সিলেট থেকে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে পাঁচ বছরে আমরা পদার্পণ করেছি। সামনে আমাদের নির্বাচন। নৌকা মার্কায় আপনারা ভোট দিয়েছিলেন, বাংলার জনগণ ভোট দিয়েছিলেন। আজ বাংলার গ্রামে গ্রামে উন্নয়নের ছোঁয়া পড়েছে।

তিনি বলেন, এ সিলেটে বিএনপি যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, আজকে অনেক নেতাকর্মী আমরা হারিয়েছি। সিলেটে কোনো না কোনো দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকতো। জোট আমলে তাদের সন্ত্রাসী ক্যাডাররা আমাদের নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এ বিএনপি সারা বাংলাদেশের প্রায় ১৪/১৫টি শহরে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড, হত্যাযজ্ঞ চালায়। আমরা গাছ লাগাই, তারা গাছ কাটে। জনগণের সম্পদ ধ্বংস করে। একদিকে দুর্নীতি, লুটপাট, বাংলাদেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বিএনপি ধ্বংস করতে জানে, সৃষ্টি করতে জানে না। মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তোলে। চলন্ত বাসে আগুন দেয়, রেলগাড়িতে আগুন দেয়। পাঁচশ মানুষকে হত্যা করে। জীবন-জীবিকার পথ বন্ধ করে দেয়।

তিনি বলেন, বিএনপি এ ক’বছরে হাজার হাজার গাড়ি পুড়িয়েছে। এ ধরনের আন্দোলন আমরা কখনো দেখিনি। আন্দোলন জনগণের জন্য, জনগণের দাবি আদায়ের জন্য। যখন জনগণ প্রতিরোধ করেছে তখন তারা থমকে দাঁড়িয়েছে। দেশের ভাবমূর্তি তারা ধ্বংস করেছে। আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়ন করে। আওয়ামী লীগ উন্নয়নে বিশ্বাস করে, দেশের জনগণের জন্য কাজ করে। আমাদের নির্বাচনী প্রচার চালানো এখান থেকেই শুরু।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে চারলেনে উন্নীত করার ঘোষণা দেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি আমরা

শেখ হাসিনা বলেন, লুটেরা, খুনি বিএনপি-জামায়াত জোট জানে ধ্বংস করতে। আজ সবার হাতে মোবাইল ফোন আছে? কে দিয়েছে এ মোবাইল ফোন? আমরা আওয়ামী লীগ সরকার। কম্পিউটারের ওপর থেকে ট্যাক্স প্রত্যাহার করে প্রযুক্তি শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আট কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে।

তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাচ্ছে। চা না হলে আমাদের চলে না। সেই চা উৎপাদন বৃদ্ধি করার পাশাপাশি চা যারা উৎপাদন করেন সেই শ্রমিকদের উন্নয়নে কাজ করছি। সিলেট থেকেই যেন নিলাম হয় সেই ব্যবস্থা আমরা করছি। প্রত্যেকটি এলাকায় আমরা বিশেষ অঞ্চল করে দিচ্ছি। সিলেটের শ্রিহট্ট আমরা বিশেষ অঞ্চল করে দিচ্ছি। যেখানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হবে। সেই ক্ষেত্রে আমাদের প্রবাসী বাংলাদেশিরা অগ্রাধিকার পাবে।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলেছি। আট হাজার ৪০০ পোস্ট অফিসকে আমরা ডিজিটাল সেন্টারে পরিণত করেছি। যাতে ঘরে বসে মানুষ সেবা পায়। এ সিলেটে একটা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করে দিচ্ছি। যাতে এখানে বসেই পড়ালেখা করে আপনারা বড় চিকিৎসক হতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন প্রতিটি মানুষ পেট ভরে ভাত খাবে। সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে। একটি মানুষও না খেয়ে থাকবে না। আমরা সেই স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের হতদরিদ্র মানুষের খাদ্যশস্যের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

‘আমাদের ছেলে-মেয়েরা যেন উচ্চ শিক্ষা নিতে পারে সেজন্য তাদের বৃত্তি ও উপবৃত্তি দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। একটা দেশকে উন্নত করতে হলে, একটা জাতিকে শিক্ষিত করতে হয়। আমরা সে ব্যবস্থা করেছি।’

তিনি বলেন, প্রবাসীদের জন্য তিনটি ব্যাংকের পারমিশন দেয়া হয়ে গেছে। আমরা বিভিন্নভাবে এ দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।

তিন ওলির মাজার জিয়ারত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটে পৌঁছে তিন ওলির মাজার জিয়ারত করেন। গতকাল সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে বিমানযোগে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার পর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী একে একে হজরত শাহজালাল (রহ.), হজরত শাহপরাণ (রহ.) ও হজরত গাজী বোরহান উদ্দিনের (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন।

বেলা সোয়া ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হজরত শাহজালালের (রহ.) মাজারে পৌঁছান। তিনি মাজার জিয়ারত, ফাতিহা পাঠ ও মোনাজাত করেন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে হজরত শাহপরাণের (রহ.) পৌঁছে মাজার জিয়ারত, ফাতিহা পাঠ ও মোনাজাত করেন তিনি।

সেখান থেকে হজরত গাজী বোরহান উদ্দিনের (রহ.) মাজারে যান প্রধানমন্ত্রী। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মাজার জিয়ারত শেষ করেন তিনি। পরে দুপুরের খাবার, জোহরের নামাজ ও বিশ্রামের জন্য সিলেট সার্কিট হাউসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, তৌফিক-ই-ইলাহী, আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, সংসদ সদস্য শেখ হেলাল, সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, পরিবেশ ও বনবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপদফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য গোলাম কবির রব্বানী চিনু, আনোয়ার হোসেন, ইকবাল হোসেন অপু, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক প্রমুখ।

এছাড়া শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীর ২০ প্রকল্পের উদ্বোধন

সিলেটে ২০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে নতুন ১৮টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তিনি।

হযরত গাজী বোরহান উদ্দিন (রহ.) মাজার উন্নয়ন, মহিলা ইবাদতখানা নির্মাণ, মাজারের সৌন্দর্য বর্ধন এবং মাজারের যাতায়াতের প্রধান রাস্তা ২ কি.মি. প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন, সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬তলা ভিত বিশিষ্ট ও ৪তলা নতুন একাডেমিক-কাম-প্রশাসনিক ভবন, সিলেট জেলার পিরোজপুরে ১টি সার পরীক্ষাগার ও গবেষণাগার ভবন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের বিভাগীয় জেলা অফিস, সিলেট বিভাগীয় ও জেলা এনএসআই কার্যালয় ভবন, সিলেট মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, জাকিগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ১২তলা ভিত্তি বিশিষ্ট নগর ভবনের বেজমেন্ট ফ্লোরসহ ৫ম তলা পর্যন্ত ভবন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বাবুছড়ায় আরসিসি ইউ টাইপ ড্রেন নির্মাণ কাজ, জালালাবাদ রাস্তা সম্প্রসারণ ও এসফল্ট দ্বারা উন্নয়ন কাজ, সিলেট-সুনামগঞ্জ বাইপাস সড়ক উন্নয়ন, মৌলভীবাজার-রাজনগর-ফেঞ্চগঞ্জ-সিলেট সড়ক এবং রশিদপুর-বিশ্বনাথ-লামাকাজী সড়কে ওভারলে কাজ, সিলেট-গোপালগঞ্জ-চারখাই-জকিগঞ্জ সড়কে এবং দরবস্ত-কানাইঘাট-শাহাবাগ সড়কে মজবুতীকরণসহ ওভারলে কাজ, ঢাকা (কাঁচপুর)- ভৈরব-জগদীশপুর-শায়েস্তাগঞ্জ-সিলেট-তামাবিল-জাফলং সড়কের (সিলেট-শেরপুর অংশ) মজবুতীকরণসহ সার্বিক কাজ এবং সড়কের শেরপুর টোল প্লাজা অংশে রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ কাজ, দক্ষিণ জকিগঞ্জ উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কামালবাজার ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত কানাইঘাট সড়ক, কুইটুকে তিন তলা বিশিষ্ট প্রাইমারী হেলথ কেয়ার সেন্টার ভবন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

হজরত শাহজালার (রহ.) মাজারের মহিলা এবাদতখানা ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব হল নির্মাণ, গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদ ভবন ও হলরুম নির্মাণ, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ছাত্র হোস্টেল ভবন নির্মাণ, সিলেট এম এ জি মেডিকেল কলেজের ছাত্রী হোস্টেল ভবন নির্মাণ, সিলেটে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল নির্মাণ, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালের অভ্যন্তরে ১টি নার্সিং হোস্টেল নির্মাণ, সিলেট পুলিশ লাইনে ১টি এসএমপি ব্যারাক ভবন নির্মাণ, সিলেট পুলিশ লাইনে ১টি অস্ত্রাগার নির্মাণ, এসএমপির কোতয়ালী মডেল থানার কম্পাউন্ডে ডরমেটরি (১০-তলা ভিত বিশিষ্ট ৪-তলা) ভবন নির্মাণ, সিলেট জেলাধীন তামাবিল ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট (টাইপ-২ অনুযায়ী (৬-তলা ভিতবিশিষ্ট ৩তলা) ভবন নির্মাণ, সিলেটস্থ লালবাজারে রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) পুলিশ লাইন নির্মাণ, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য হোস্টেল নির্মাণ এবং সম্প্রসারণ (বালিকা-০৬ ইউনিট, বালক ০৫ ইউনিট এবং সম্প্রসারণ-২০ ইউনিট)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সিলেটে হোস্টেল ভবন নির্মাণ বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, বিভাগীয় পরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা) ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা, সিলেট এর অফিস ভবন নির্মাণ, সিলেট-গোপালগঞ্জ-চারখাই-জকিগঞ্জ মহাসড়কের ৬৫ কিলোমিটার উন্নয়ন, গোলাপগঞ্জ-ঢাকা দক্ষিণ-ভাদেশ্বর মহাসড়ক ও চারখাই-শেওলা-বিয়ানীবাজার-বারইগ্রাম মহাসড়কের ৯.৬০ কি মি উন্নয়ন, সিলেট এম এ জি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভবন ৪তলা থেকে ১০তলা ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ।

আরো সংবাদ...