সাক্ষাৎকার

শর্ট-প্যান্ট পরতে বেশি ভালো লাগে

ঢাকা , ১০ ফেব্রুয়ারী , (ডেইলি টাইমস ২৪):

তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় মুখ ফারহান আহমেদ জোভান। মাত্র বছর কয়কের মাথায় অভিনয় এবং মডেলিংয়ের মাধ্যমে জয় করে নিয়েছেন দর্শকের মন। তরুণ এ শিল্পীর জন্মদিন ১৮ সেপ্টেম্বর। জোভান এ বছর ছাব্বিশে পা দেবেন। সম্প্রতি কথা বলেন তিনি। আলাপকালে তরুণ এ অভিনেতা জানিয়েছেন নিজের ব্যক্তিগত ফ্যাশন, স্টাইল, ভালো লাগার ব্র্যান্ড, কেনাকাটা, গেটআপসহ ব্যক্তিগত আরও কিছু বিষয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক জোভানের পছন্দ-অপছন্দের কিছু বিষয়।

ব্যক্তিগত জীবনে কী ধরনের পোশাক পরতে ভালো লাগে? একইসঙ্গে জানতে চাইব আপনার পছন্দের ব্র্যান্ড ও কেনাকাটা সম্পর্কে?

জোভান: ব্যক্তিগত জীবনে সবচেয়ে টি-শার্ট আর শর্ট-প্যান্ট পরতে বেশি ভালো লাগে। আর বাসা থেকে বের হলে চেষ্টা করি, নীল কিংবা কালো জিন্সের সঙ্গে শার্ট পরে বের হতে। শার্টের বেলায় সাদা এবং কালো রঙটা বেশ পছন্দ। বাংলাদেশের ‘আর্টিসান’ এবং অন্যান্য শো-রুম থেকেও অনেক কাপড় কেনা হয়। দেশের বাইরে গেলে ওখান থেকে শার্ট, প্যান্ট ও টি-শার্ট কিনে নিয়ে আসি। গত ছয় মাসে দুইবার থাইল্যান্ড গিয়েছি। তখন ওখান থেকে ব্র্যান্ড এবং নন-ব্র্যান্ড বিভিন্ন ধরনের পোশাক-আশাক কিনে নিয়ে এসেছি। ওখানে গিয়ে ‘জি স্টার’ ও ‘ক্রোকোডাইল’ ব্র্যান্ডের জিনিস খুব ভালো লেগেছে।

সাধারণত কোন সেলুনে চুল কাটান? 

জোভান: চুল কাটানোর ক্ষেত্রে আমার ‘মেনজ অপশন’ সেলুনে যাওয়া হয়। ওখানে আমার পরিচিত একজন নাপিত রয়েছেন। তিনিই আমার চুল কেটে দেন।

কী ধরনের জুতা পরতে ভালো লাগে? পছন্দের জুতা কোথা থেকে কিনেছেন? 

জোভান: কনভার্সটা আমার বেশি পরা হলেও নিজে পরার জন্য সাধারণত লোফারটা বেশি ভালো লাগে। জুতা দেশের বাইরে থেকেই বেশি কেনা হয়। বাংলাদেশের ‘বাটা’তে বেশ ভালো-ভালো জুতা পাওয়া যায়, সেগুলো কিনতেও খারাপ লাগে না। তবে শুটিংয়ের জন্য আমার বিভিন্ন ধরনের জুতা কিনে রাখতে হয়। কারণ একেক সময় একেক ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে হয় তো, তাই।

কেনাকাটা নিয়ে ছেলেবেলার কোনো স্মৃতি মনে আছে কী?

জোভান: ছোটবেলায় ইস্টার্ন প্লাজায় যাওয়া হতো বেশি। তখন তো আর যমুনা এবং বসুন্ধারা শপিংমল ছিল না। তবে চানরাতে যেতাম নিউ মার্কেটে। উৎসবগুলোতে বাবা-মায়ের সঙ্গে শপিংয়ে যেতে খুব ভালো লাগত। এরপর যখন বড় হতে লাগলাম, তখন বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে একাই শপিংয়ে বের হওয়া শুরু করলাম।

নিত্যদিনের প্রসাধনী কোথা থেকে কিনেন?  

জোভান: শুটিংয়ে মেকআপটা বেশি করা হয়, যার কারণে ফেসওয়াশটা বেশি ব্যবহার করি। ‘লরিয়াল’এর ফেসওয়াশ এবং অন্যান্য প্রসাধনী বেশি ব্যবহার করা হয় আমার। দেশে তো প্রচুর নকল প্রসাধনী তৈরি হয়, তাই বাংলাদেশ থেকে কিনতে গেলে খুব একটা আস্থা রাখতে পারি না। তাই দেশের বাইরে গেলে নিত্যদিনের প্রসাধনীগুলো বিদেশ থেকেই কিনে নিয়ে আসি।

ঘড়ি পরতে কেমন লাগে? কোন ব্র্যান্ডের ঘড়ি বেশি পছন্দ?  

জোভান: ষ্টিলের ঘড়ির আগে ভালো লাগত না। চামড়া কিংবা কাপড়ের ঘড়িই বেশি পছন্দের ছিল। ইদানীং আবার ষ্টিলের ঘড়ির প্রতি খুব ভালোবাসা জন্মেছে। দেখা যাচ্ছে, ষ্টিলের ঘড়িগুলো আমার হাতে খুব মানিয়ে যাচ্ছে। এদিকে ট্রেন্ডি প্ল্যাস্টিক টাইপ ডিজিটাল ঘড়িগুলোও খুব ভালো লাগছে। আসলে ওই প্লাস্টিক টাইপ ঘড়িগুলোকে কী ঘড়ি বলা হয়, তা আমি জানি না। আমার কাছে বেশ কিছু ঘড়ির কালেকশন আছে। তার মধ্যে ‘ফাস্ট ট্র্যাক’এর ঘরি বেশি ভালো লাগে।

কেমন সুগন্ধি পছন্দ? 

জোভান: পারফিউম আমার খুবই পছন্দ। পারফিউম আর ঘড়ির প্রতি আমার প্রচণ্ড ফ্যাসিনেশন। ‘জর্জিও আরমানি’ পারফিউমগুলা খারাপ লাগে না। এ ছাড়া অন্যান্য কিছু পছন্দের ব্র্যান্ড আছে। সেগুলোও ভালো লাগে। বডি স্প্রেও ব্যাবহার করি। যখন যা ভালো লাগে, সেটাই কিনে ফেলি। এক্ষেত্রে কোনো বাঁধা-ধরা নেই।

আরো সংবাদ...