সারাদেশ

ত্রিশাল-ফুলবাড়ীয়া সড়ক নয় যেন ভাগাড়!

ঢাকা , এপ্রিল , (ডেইলি টাইমস ২৪):

ত্রিশাল ও ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সংযোগ সড়কের অবস্থা বেহাল। এ সড়কের অবস্থা গর্তে ভরা। খানাখন্দে ভাগাড় সৃষ্টি হওয়া সড়ক দিয়েই চলাচল করছে মানুষ। এতে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় এলাকাবাসীর।

ত্রিশাল উপজেলার বৈলর মোর থেকে ফুলবাড়িয়া উপজেলা সদরের দূরত্ব ২০ কিলোমিটার। এই বিশ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ। ত্রিশালের বৈলর মোড় থেকে ফুলবাড়িয়া উপজেলার সীমানা শুরু হওয়া পর্যন্ত সড়কটির প্রায় ৬ কিলোমিটার ত্রিশাল উপজেলার অংশে পড়েছে। এই ৬ কিলোমিটার সড়কে অসংখ্য খানাখন্দে পানি জমে এমনই খারাপ অবস্থা হয়েছে এটি যে সড়ক তা বুঝার উপায় নেই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ৬ কিলোমিটার সড়কে খানাখন্দ ছাড়া ভালো অংশের পরিমাণ খুবই কম। অঞ্চলটিতে মত্স্য খামারের সংখ্যা বেশি হওয়ায় মাছবাহী ট্রাক প্রায়ই আটকে যায় সড়কের সৃষ্ট গর্তে। চলাচলকারী, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ অন্যান্য যাত্রী ও পণ্যবাহী যানগুলোকেও চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির ওই অবস্থা বিদ্যমান থাকলেও এটি সংস্কারে কর্তৃপক্ষ উদাসীন।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, অঞ্চলটিতে মত্স্য খামারের সংখ্যা বেশি। আর অধিকাংশ মত্স্য খামার করা হয়েছে অপরিকল্পিতভাবে। সড়কের পাশে পুকুর খননে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার কথা থাকলেও যত্রতত্র মত্স্য খামার করা হলেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয় না। বৈলর মোড় এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন জানান, সংসদ সদস্য ছাড়া আমাদের ত্রিশালবাসী অনেকটা এতিমের মত জীবন-যাপন করছে।

ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী শাহেদ হোসেন বলেন, সড়কটি দিয়ে ৬ টনের বেশি ভারী যানবাহন চলা নিষেধ থাকলেও চলাচলকারী মাছবাহী ট্রাকগুলোর বেশির ভাগই ২৫ থেকে ৩০ টন পর্যন্ত ভার বহন করে। ফলে সড়কটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, সড়কটি মজবুত করে নির্মাণের প্রস্তাব পাস হয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নির্মাণ কাজ শুরু করতে কিছু সময় লাগতে পারে।

Related Articles

Close