মুক্তমত

কী ঘর বানাইমু আমি শূন্যেরও মাঝার

ঢাকা , ১৪ মে, (ডেইলি টাইমস ২৪):  

বাংলাদেশ অনেকদিন ধরেই দুইভাগে বিভক্ত। আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি। আরো নির্দিষ্ট করে বললে, আওয়ামী লীগ বনাম অ্যান্টি আওয়ামী লীগ। কিন্তু কিছু কিছু উপলক্ষ্য আছে সব দলাদলি ভুলে আমরা বাংলাদেশকেই ঊর্ধ্বে তুলে ধরি। যেমন ক্রিকেট আমাদের ঐক্যবদ্ধ করে। গত কয়েক বছরে তেমন কিছু জাতীয় অর্জন আমাদের গর্বিত করেছে।

নিন্ম মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া, তারই পথ ধরে উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জন, নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ, দুটি সাবমেরিন কেনা- তেমনই কিছু অর্জন। সর্বশেষ অর্জনটিও জাতি হিসেবে আমাদের গর্বিত করেছে। ৫৭তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন মহাকাশেও তার চিহ্ন এঁকে দিল। আমাদের এখন সাবমেরিন আছে, আমাদের এখন স্যাটেলাইট আছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের হাত ধরে আমরা অর্জন করতে যাচ্ছি পারমাণবিক সক্ষমতাও। প্রযুক্তির সবগুলো ক্ষেত্রেই আমরা আমাদের চিহ্ন রাখছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।

 ‘অবশ্যই সরকারকে সাধারণ মানুষের কথা ভাবতে হবে। তাদের কল্যাণে নানা প্রকল্প নেবে এবং দক্ষতার সাথে সেগুলো বাস্তবায়ন করবে। দরিদ্রদের কল্যাণে সামাজিক কল্যাণে আরো বেশি মনোযোগ দেবে, বরাদ্দ দেবে।’ 

স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশের মত জাতিগত অর্জন নিয়েও অনেকের নানা সমালোচনা দেখছি। তবে যে যাই বলুক; এ অর্জন আমাকে গর্বিত করেছে। নয়মাসের রক্ষক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর এক লড়াই শেষ হয়েছে, তারপরই শুরু হয়েছে দেশ গড়ার নতুন সংগ্রাম। এ সংগ্রাম উন্নয়নের, দারিদ্র্য বিমোচনের, সক্ষমতা অর্জনের। আর এই অর্জনের পথে স্যাটেলাইট একটি বড় লাফ। নীল আর্মস্ট্রং প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদে পা রাখার পর বলেছিলেন, ‘মানুষের ছোট এই পদক্ষেপ, মানবজাতির জন্য বিশাল এক লাফ।’ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মহাকাশে উড়ে যাওয়া তেমনি বাংলাদেশকে তুলে নিল এক অনন্য উচ্চতায়।

স্যাটেলাইট মহাকাশে ওড়ার আগে থেকেই এর সুবিধা-অসুবিধা, লাভ ক্ষতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্যাটেলাইট থেকে ৪০ ধরনের সুবিধা পাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। দেখানো হচ্ছে বিশাল আর্থিক লাভের স্বপ্ন। কিন্তু বিরোধীরা বলছে, এসবই ফাঁপা বেলুন। প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ওড়ানো এই স্যাটেলাইটে আমাদের তেমন লাভ হবে না। সরকার যে আর্থিক লাভের গল্প শোনাচ্ছে, তা সত্য নয়। ১৫ বছর পর ৩ হাজার কোটি টাকা দামের এই স্যাটেলাইট প্রশান্ত মহাসাগরে আবর্জনা বাড়াবে মাত্র। বিরোধীরা বলছেন, এটি গরিবের ঘোড়া রোগ। দেশের ২২ ভাগ মানুষ যখন দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করে; যানজট, জলাবদ্ধতাসহ দেশে যখন সমস্যার পাহাড়; তখন ৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করে স্যাটেলাইট ওড়ানো বিলাসিতা মাত্র।

আমি দুই পক্ষের কথাই বিশ্বাস করছি। স্যাটেলাইটের সম্ভাবনা নিয়ে আমাদের কারো কোনো সংশয় নেই। কিন্তু সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর মত সক্ষমতা আমাদের আছে কিনা, তা নিয়ে আমার সংশয় আছে। আমি বিরোধী পক্ষের সাথে বরং বেশি একমত। ১৫ বছরে এই স্যাটেলাইট থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা আয় করা সত্যি কঠিন। কিন্তু এক টাকাও যদি আয় না হয়, পুরো ৩ হাজার কোটি টাকাই যদি জলে যায়; তাহলেও এই স্যাটেলাইট আমাকে গর্বিত করবে। বাংলাদেশ তো স্যাটেলাইট ব্যবসায়ী নয় যে আমি লাভ-ক্ষতির হিসাব করবো। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো সময়ের সাথে সাথে তার সক্ষমতা বাড়ানো। সাবমেরিন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট আমাদেও সেই সক্ষমতার সূচক। যখন মিয়ানমার ও ভারতের কাছ থেকে এক লাখ ৩০ হাজার বর্গ কিলোমমিটার সমুদ্রসীমায় নিয়ন্ত্রণ পায় বাংলাদেশ, আমি গর্বিত হই। যখন জানি আমাদের সমুদ্রসীমা নিরাপদ রাখতে দুটি সাবিমেরিন আছে পাহাড়ায়, আমি নিশ্চিন্ত হই। যখন জানি মহাকাশে আছে আমাদের একটি নিজস্ব স্যাটেলাইট; স্বাধীনতাকে আরো বেশি অর্থবহ মনে হয়।

সব সম্মান, সব সক্ষমতা সবসময় অর্থ দিয়ে মাপা যায় না, মাপা উচিত নয়। সবকিছু যদি লাভ দিয়েই বিবেচনা করতে হয়; তাহলে অনেক আগেই বিমান, রেলওয়ে বন্ধ করে দেয়া উচিত ছিল। কৃষিতে ভর্তুকি কেন দেয় সরকার? যত ক্ষতিই হোক কৃষিতে ভর্তুকি থাকবে, রেল চলবে, বিমান উড়বে। ব্যাপারটা তো এমন নয়, স্যাটেলাইট না বানালে সেই টাকা দিয়ে বাংলাদেশের সব মানুষের দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব বা জলাবদ্ধতা দূর হয়ে যাবে। সমস্যাটা সেখানে নয়। ঘাটতিটা সুশাসনের। ব্যাংকিং খাতে গত কয়েক বছরে যা লুটপাট হয়েছে তা ঠেকাতে পারলে আরো কয়েকটা সাবমেরিন কেনা যেতো বা আরো কয়েকটা স্যাটেলাইট স্থাপন করা যেতো।

সক্ষমতা আসলে একটি পারসেপশন। সকালে আমার ছেলে প্রসূন জানতে চাইলো, বাবা এত টাকা খরচ করে স্যাটেলাইট বানিয়ে লাভ কী হবে? এত দিন তো আমরা স্যাটেলাইট ভাড়া করে কাজ চালাচ্ছিলাম। আমি তাকে সহজ করে বোঝানোর জন্য বললাম, এতদিন আমরা উবারে চড়তাম। এখন আমরা গাড়ি কিনেছি। আমি জানি, উবারে যে সার্ভিস পাওয়া যায়, গাড়ি কিনলেও হয়তো তাই পাওয়া যাবে। বরং গাড়ি কিনতে বিনিয়োগ, ড্রাইভার এবং রক্ষণাবেক্ষণ মিলিয়ে খরচ উবারের চেয়ে অনেক বেশি। তারপরও সুযোগ থাকলে, সক্ষমতা থাকলে কি আপনি একটি গাড়ি কিনবেন না?

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের মর্যাদা বাড়াতেও সক্ষমতা দেখানো দরকার। ধরুন আপনার ছেলেবেলার দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু, যাদের সাথে আপনার বন্ধুত্ব আছে এবং থাকবে। তাদের একজন হলো পুলিশের আইজি, আরেকজন হলো প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। সেই দুই বন্ধুর সাথে আপনার আচরণ কি একইরকম হবে? আপনি যতই নির্মোহ হন, দুই বন্ধুর প্রতি আচরণ একইরকম হবে না। এটাই বাস্তবতা। আইজি বন্ধু আপনার যতটা সমীহ পাবে, শিক্ষক বন্ধু ততটা পাবে না। তাই বন্ধুর কাছ থেকে সমীহ আদায় করতে হলেও আপনার চাই শক্তি, চাই সক্ষমতা।

আপনার কাছে একটি লাইসেন্স করা অস্ত্র আছে। তার মানে তো এই নয়, আপনি প্রতিদিন সেই অস্ত্র নিয়ে বেরুবেন এবং বন্ধু-শত্রু যাকে পান, তাকেই অস্ত্রটি দেখিয়ে বেরাবেন বা ইচ্ছামত গুলি করবেন। এমনও হতে পারে, আপনি কোনোদিনই সেই অস্ত্রটি ব্যবহার করবেন না বা হতে পারে কোনোদিন বেরও করতে হলো না। তারপরও সেই অস্ত্রটি কিন্তু সমাজে আপনার অবস্থান বদলে দেবে।

আর্থিক সক্ষমতা বাড়ার সাথে আপনি আপনার সামাজিক মর্যাদা বাড়ানোর চেষ্টা করবেন, এটাই স্বাভাবিক। আপনার কাছে যেটা বিলাসিতা মনে হয়, কারো কারো কাছে সেটাই সোশ্যাল স্ট্যাটাস। ১২শ স্কয়ার ফুটের বাসায়ও আপনি থাকতে পারেন। আবার সাড়ে ৪ হাজার স্কয়ার ফুটের ডুপ্লেক্সেও থাকতে পারেন। সুযোগ থাকলে কি আপনি নিজেকে সক্ষম করে তুলবেন না, নিজের সামাজিক মর্যাদা বাড়াবেন না? ঠিক এ কারণেই আমাদের সাবমেরিন দরকার, স্যাটেলাইট দরকার। প্রযুক্তির সব অভিজাত ক্লাবে আমাদের প্রবেশাধিকার চাই।

তবে অবশ্যই সরকারকে সাধারণ মানুষের কথা ভাবতে হবে। তাদের কল্যাণে নানা প্রকল্প নেবে এবং দক্ষতার সাথে সেগুলো বাস্তবায়ন করবে। দরিদ্রদের কল্যাণে সামাজিক কল্যাণে আরো বেশি মনোযোগ দেবে, বরাদ্দ দেবে। অর্থ থাকলেই সবসময় উন্নয়ন করা যায় না, দক্ষতা লাগে। সেই দক্ষতায় আমাদের এখনও অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে। প্রতিবছরই অনেক উন্নয়ন প্রকল্প দক্ষতার অভাবে আটকে থাকে। অনেক সামাজিক প্রকল্প মুখ থুবরে পড়ে দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতির জালে।

খালি জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে বিজয়ের পতাকা ওড়ালেই হবে না; লড়াই চালাতে হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে; কাজ করতে হবে জনগণের কল্যাণে, নিশ্চিত করতে হবে গণতন্ত্র আর মানবাধিকার। সবার আগে আর্থিক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই এমন আরো অনেক বড় বড় কাজ আমরা করতে পারবো সাহসের সাথে, বুক ফুলিয়ে।

স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের আলোচনা শুরুর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের একটি ভিডিও বার্তা ঘুরে বেড়াচ্ছে অন্তর্জালে। তাতে তিনি তার পিতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে একটি স্মৃতিচারণ করেছেন। তিনি বলছেন, জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালেই নিজস্ব স্যাটেলাইটের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তারেক নিখুঁতভাবে স্মৃতির বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। বলেছেন জার্মানির সাথে মিলে জিয়া স্যাটেলাইট স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। তারেক রহমানের সেই ভিডিও বার্তা নিয়ে অনেকে হাসি-ঠাট্টা করছেন। বলছেন, জার্মানির স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সক্ষমতা নেই। আর ১৯৮০ সালে জার্মানি অবিভক্ত ছিল না, হয় পশ্চিম জার্মানি নয় পূর্ব জার্মানি। অত বিতর্কে আমার আগ্রহ নেই। আমি খালি স্যাটেলাইটের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জিয়াউর রহমান কী বলেছিলেন তা উদ্ধৃত করছি, ‘কখন আমাদের ঝড় হচ্ছে, বৃষ্টি হচ্ছে, বন্যা হচ্ছে; তা কৃষদের আগাম জানানো যাবে। তাহলে আগে থেকেই ম্যাজারমেন্ট নেয়া যাবে। তাতে কৃষকদের সুবিধা হবে। কোন ফসলটা কীভাবে, কী করবে তা বুঝতে, জানতে, করতে সুবিধা হবে। তাহলে এখন যেমন হঠাৎ অতিবৃষ্টি হলে, আগাম বন্যা হলে ফসল নষ্ট হয়ে যায়, কৃষক কিছু করতে পারে না। আমরা তখন অনেক ফসল রক্ষা করতে পারবো। অনেক মানুষ খেয়ে পড়ে বাঁচতে পারবে। ফসল রপ্তানি করতে পারবো। নিজেদের স্যাটেলাইট থাকলে ভাড়াও দিতে পারবো।’

তারেক রহমানের এই ভিডিও বার্তার বিশ্বাসযোগ্যতা অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। আমার কাছে কিন্তু তারেক রহমানের স্মৃতি বিশ্বাসযোগ্যই মনে হয়েছে। বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি ১৯৮০ সালেই নিজস্ব স্যাটেলাইট স্থাপনের কথা ভেবেছিলেন, এটা তো দারুণ গর্বের কথা। পরের বছরই মারা গিয়েছিলেন বলে জিয়া হয়তো তার স্বপ্নপূরণ করে যেতে পারেননি। কিন্তু এরপরও জিয়ার হাতে গড়া দল বিএনপি তিন দফায় ক্ষমতায় ছিল। তারা কেন জিয়ার এমন অসাধারণ স্বপ্নটি বাস্তবায়ন করলেন না?

আওয়ামী লীগ সমর্থকরা বলছেন, ১৯৭৪ সালে বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করে বঙ্গবন্ধু মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কোনো অসুবিধা নেই। বঙ্গবন্ধু ভূ-উপগ্রহ স্থাপন করে মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, ১৯৮০ সালে জিয়া স্যাটেলাইট স্থাপনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তারপর ৩৮ বছর আর কেউ কিছু করেননি। শেখ হাসিনা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন। অসুবিধা কোথায়?

সবারই তো খুশি হওয়ার কথা। কিস্তু আওয়ামী লীগ কেন তারেক রহমানের স্মৃতিচারণ নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করছে? বিএনপিই বা কেন বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট নিয়ে বিদ্রুপ করছে। সবার তো একসাথে উদযাপনের মাঠে থাকার কথা। তার পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছে বলে তারেক রহমানের তো সরকারকে অভিনন্দন জানানো উচিত।

জিয়াউর রহমান খুব অল্প কথায় তার স্কুলপড়ুয়া সন্তানকে স্যাটেলাইটের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে পেরেছিলেন। তার সাথে এখন স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি যুক্ত হয়েছে বটে। তবে এখনও স্যাটেলাইটের প্রধান উপকারিতা কৃষি আর দুর্যোগ মোকাবেলায়। নিজস্ব স্যাটেলোইট ব্যবহার করে যদি আমরা আবহাওয়ার আগাম এবং নিঁখুত তথ্য কৃষকদের জানাতে পারি, তাহলে আমাদের উৎপাদন অনেক বেড়ে যাবে। এটা কখনোই আপনি টাকার অংকে মাপতে পারবেন না।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সময় আমার হাসন রাজার কথা মনে হয়েছে। মনে করিয়ে দিয়েছেন এটুআইয়ের জনপ্রেক্ষিত বিশেষজ্ঞ নাইমুজ্জামান মুক্তা। এটিএন নিউজের টক শোতে তিনি হাসন রাজার প্রশ্নের জবাব খোঁজার চেষ্টা করেছেন। হাসন রাজা গানে গানে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘ কী ঘর বানাইমু আমি শূন্যেরও মাঝার…?। যদিও আমাদের মহাকাশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দখল করে নিয়েছি। তবু আমরা রাশিয়ার কাছ থেকে আকাশ কিনে সেই শূন্যে ঘর বানিয়েছি। মহাশূন্যে এখন আমাদেরও একটি ঘর আছে।

আরো সংবাদ...