ফ্যাশন

জামদানি মেলার হালচাল

ঢাকা , ০৮ জুন , (ডেইলি টাইমস ২৪):

ঈদ উপলক্ষে ঢাকার জাতীয় জাদুঘরে অনুষ্ঠিত হয়েছে জামদানি শাড়ির প্রদর্শনী ও মেলা। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এই মেলার আয়োজক।

গত ২৯ মে মেলা শুরু হয়। চলে ৭ জুন পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত মেলা খোলা ছিল সবার জন্য।

মেলায় ঘুরে কথা হয়েছিল কয়েকজন জামদানিশিল্পীর সঙ্গে। অনেকে জানিয়েছিলেন, মেলায় এসে পণ্য বিক্রি করতে পেরে তাঁরা খুবই আনন্দিত। আবার অনেকে বলেন, আশা অনুযায়ী পণ্য বিক্রি করতে পারেননি তাঁরা।

মৌসুমি নামে একটি দোকানের বিক্রেতা মনির হোসেন বলেন, মেলায় তাঁর খরচ প্রচুর হয়েছে। কিন্তু তেমন বিক্রি হয়নি। রিফাত জামদানি নামে একটি দোকানের বিক্রেতা মো. মৃদুল হাসান জানান, প্রতিদিন তিনি দুই থেকে তিনটি জামদানি শাড়ি বিক্রি করতে পেরেছেন। মেলার পরিবেশে তিনি আনন্দিত।

কিছুটা ক্ষুব্ধ তামীম জামদানি নামে একটি দোকানের বিক্রেতা মো. নোবেল। প্রতিদিন তাঁরা এক থেকে তিনটি জামদানি শাড়ি বিক্রি করেছেন বলে জানালেন। একটি জামদানি শাড়ি তৈরি করতে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা খরচ হয়। তাই আশানুরূপ লাভ করতে পারেননি। ক্রেতাও কম বলে জানান।

হৃদয় জামদানি দোকানের বিক্রেতা আবদুল হাকিম বলেন, মেলায় ক্রেতার সংখ্যা কিছু কম। তাই আশা অনুযায়ী বিক্রি হয়নি। তারপরও মেলায় এসে তিনি খুশি।

মেলায় আসা পূরবী নামের একজন ক্রেতা জানান, এই পরিবেশে তিনি অনেক আনন্দিত।

জামদানি মেলায় আসা কয়েকজন ক্রেতা ও বিক্রেতা জানান, এবারের মেলায় শাড়ির পাড়ে ময়ূরকণ্ঠী, পুঁইপাতা, দুবলা, কমলা, গোলাপ, বেলপাতা নামের বাহারি নকশা ছিল। শাড়ি ছাড়াও থ্রি-পিস, টু-পিস, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, রুমাল, ওড়না, টেবিল ক্লথসহ নানান পণ্যের সমাহার ছিল প্রদর্শনীতে।

এবারের প্রদর্শনীতে মোট ৩৫টি স্টল ছিল। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মোট ৩৫ জন তাঁতি তাঁদের তৈরি জামদানি পণ্য মেলায় প্রদর্শন করেন।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button