স্বাস্থ্য

সকালের নাশতায় কেন খাবেন ওটস?

ঢাকা , নভেম্বর , (ডেইলি টাইমস২৪):

স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট হিসেবে অনেকেই খান ওটমিল বা ওটস। একে অনেকে ডায়েট করার খাবার ভেবে ভুল করেন, ভাবেন সুস্থ মানুষ কখনোই তা খাবেন না। আসলেও সকালের নাশতায় মজাদার পরোটা বা লুচি ছেড়ে ওটস খাওয়ার মানুষ কমই আছেন। কিন্তু ওটসের স্বাস্থ্যগুণ বিবেচনা করলে তা প্রতিদিন খাওয়াই যুক্তিযুক্ত মনে হবে আপনার কাছেও।  ওটসের সাথে বিভিন্ন ফল ও বাদাম মিশিয়ে খেতে পারেন, এমনকি খেতে পারেন ওটসের খিচুড়ি।

জেনে নিন ব্রেকফাস্টে ওটস খাওয়ার উপকারিতা

 ১) ক্রনিক রোগ ঠেকাতে পারে

ওটমিলের দারুণ একটি সুবিধা হলো, তা কোলেস্টেরল কমাতে পারে। এ কারণে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো ভয়াবহ স্বাস্থ্য সমস্যা ঠেকাতে কাজ করে তা। ওটসের থাকা উচ্চ মাত্রার ফাইবার ব্লাড প্রেশার কমায়। ওটে আরও আছে বিভিন্ন ফাইটোকেমিক্যালস, যা ক্যান্সার থেকে শরীরকে সুরক্ষিত রাখতে পারে।

২) ক্ষুধা কমায়

ওটসের ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে। এতে দুইটি উপকারিতা হয়।  প্রথমত, ব্লাড সুগার দ্রুত বেড়ে যাওয়ার সমস্যাটি হয় না, ফলে ডায়াবেটিস রোগীরা সুস্থ থাকেন। অন্যদিকে বেশি সময় পেটে থাকে বলে হুটহাট ক্ষুধা লাগার সমস্যাটি হয় না। ফলে খাওয়া কম হয় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৩) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

সাধারণত টাটকা ফল ও শাকসবজি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বলে আমরা জানি। কিন্তু ওটসে থাকা বেটা-গ্লুকান নামের রাসায়নিকটিও আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়াও ওটসে থাকা সেলেনিয়াম ও জিঙ্ক- এ দুইটি মউল। তারা ইনফেকশন দূর করতে কাজে আসে।

৪) আপনাকে চাঙ্গা রাখে

ওটসে থাকে শরীরকে চাঙ্গা রাখার জন্য দরকারি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। এই ভিটামিনটি নিজে নিজে আপনাকে শক্তি দেয় না বটে, শক্তি পাওয়ার জন্য শর্করা, আমিষ ও চর্বি খেতে হয়। কিন্তু এসব খাবার থেকে শক্তি আহরণের কাজে সাহায্য করে ভিটামিন বি। এছাড়া ওটসে আয়রন ও ম্যাগনেসিয়ামও থাকে, যা স্ট্যামিন বাড়াতে খুবই কার্যকরী।

সূত্র: গুড হাউজকিপিং

আরো সংবাদ...