প্রবাসের খবর

কানাডায় বিজয় দিবস পালন

ঢাকা , ডিসেম্বর , (ডেইলি টাইমস২৪):

যথাযথ মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভির্যের সাথে কানাডায় বাংলাদেশ হাইকমিশন ৪৮তম মহান বিজয় দিবস পালন করেছে। সকাল ১০টায় বাংলাদেশ ভবনে হাই কমিশনার মিজানুর রহমান কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুরু হয়। হাই কমিশনারের সহধর্মিনী নিশাত রহমান, হাই কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের উপস্থিতিতে জাতীয় সংগীতের সাথে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানসহ শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাইকমিশনের সহকারী কন্স্যুলার কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

হাইকমিশন অটোয়াস্থ ব্রনসন সেন্টারে বিকাল তিনটা হতে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হাই কমিশনার তার স্বাগত বক্তব্যের শুরুতে সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যার অবিচল ও দৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশের মুক্তিপাগল জনগণ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল।

১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনায় জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গঠনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশে উন্নীত করতে বর্তমান সরকারের সফলতা এবং উদ্যেগের বিষয়ে আলোকপাত করেন। পাশাপাশি অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড যথা টরেন্টোতে কন্স্যুলেট কার্যক্রমের উদ্বোধন, কানাডার আলবার্টা, সাসকাচুয়ান, বৃটিশ কলাম্বিয়া, ম্যানিটোবাসহ বিভিন্ন প্রদেশে কন্স্যুলার সেবা প্রদান এবং এ সকল প্রদেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। কানাডায় বাংলাদেশ হতে মানবসম্পদ রপ্তানী, নার্সিংসহ কারিগরী সহযোগিতা বৃদ্ধি, ব্যবসা বাণিজ্য সম্পর্কের সম্প্রসারণ ইত্যাদি প্রচেষ্টার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। মান্যবর হাইকমিশনার বাংলাদেশ কানাডার ক্রম বিকাশমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক বিশেষত রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বর্তমান কানাডা সরকারের সহযোগিতার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

পরে স্থানীয় শিল্পীসহ হাইকমিশনের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। সাংস্কৃতিক পর্বে হাইকমিশনের কাউন্সেলর (পাসপোর্ট ও ভিসা) মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান ফারহানা আহমেদ চৌধুরী, নাদিরা হক, ফারাহ নাজ, ডালিয়া ইয়াসমিন, অং সুয়ে থোয়াই, নার্গিস আখতার রুবি, ইকবাল গিয়াস সোহেল, শিউলী হক, আফরোজা লিপি, সাদি রোজারিও, হিমাদ্রি শেখর, কারিনা কর্মকার, আরেফিন কবির এবং শিশু শিল্পি মাসরুর মাহিন কবির, ওয়াজিদ, আমানি, প্রিতিকা ও ইয়ুশ্রা সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করেন।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button