অতিমাত্রায় ভিটামিন, হতে পারে শারীরিক সমস্যা

0
37

ঢাকা , ডিসেম্বর , (ডেইলি টাইমস২৪):

শরীর যথার্থভাবে কাজ করার জন্য অত্যাবশ্যকীয় অর্গানিক কমপাউন্ড হচ্ছে ভিটামিন। প্রতিদিন আমাদের স্বাভাবিক খাদ্য তালিকা থেকেই আমরা অধিকাংশ ভিটামিন পেয়ে যাই। বেঁচে থাকার জন্য যেসব ভিটামিন প্রয়োজন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শরীর তা প্রস্তুত করতে পারে না। তাই অনেকসময় স্বাভাবিক খাদ্যের পাশাপাশি ভিটামিন সাপ্লিমেন্টও ব্যবহার করতে হয়। তবে কিছু ভিটামিন আছে যা অতিমাত্রায় গ্রহণে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। জেনে নিন তেমন কিছু ভিটামিন সম্পর্কে :

১। ভিটামিন এ: ভিটামিন এ অধিকমাত্রায় গ্রহণ করলে বমি বমি ভাব হতে পারে। মাথা ঘোরানো, মাথা ব্যথা, সেরাম ক্যালসিয়াম ও অ্যালকালাইন ফসফাটেজ, ফিটাসের অস্বাভাবিক অবস্থা, খসখসে ত্বক, মাথার চুল পড়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
২। ভিটামিন ডি: ভিটামিন ডি অধিকমাত্রায় গ্রহণে সফট টিস্যুর ক্যালসিফিকেইশন (ক্যালসিয়াম দিয়ে কিছু পুর্ণ করা), কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা, ডায়েরিয়া, পিপাসা, মাথাব্যথা, অবসন্নতা, মাথা ঘোরা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
৩। ভিটামিন ই: মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন ই গ্রহণ করলে পেশির দুর্বলতা, মাথাব্যথা, ডায়েরিয়া, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।
৪। ভিটামিন সি: অত্যধিক পরিমাণে ভিটামিন সি গ্রহণ করলে ডায়েরিয়া, বাত, কিডনিতে পাথর, শরীরে কপারের পরিমাণ হ্রাস পাওয়া- এসব সমস্য দেখা দিতে পারে।
৫। ভিটামিন বি ১: অন্যান্য ভিটামিনের সাথে অতিমাত্রায় বি ১ সেবনি করলে শরীর অন্যান্য ভিটামিন ঠিক ভাবে গ্রহণ করতে পারে না।
৬। ভিটামিন বি ৩: অতিমাত্রার ভিটামিন বি ৩ গ্রহণে রক্তে সুগার লেভেল বেড়ে যায়, রক্তনালী বিশেষ করে ধমনী প্রসারিত হয় ও ইউরিক এসিড বাড়াতে পারে।
৭। ভিটামিন বি ৬: বেশিমাত্রায় গ্রহণে অনিদ্রা ও পেরিফেরাল স্নায়ুর যে কোন রোগ হতে পারে।
৮। ফলিক এসিড: অধিকমাত্রায় ফলিক এসিড গ্রহণ করলে ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি আড়ালে পড়ে যায়। ফলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।

তাই সুস্থ থাকতে চাইলে এড়িয়ে চলুন যেকোনো রকমের মাল্টি ভিটামিন। এগুলো থেকে শরীরে নানাবিধ রোগের সম্ভাবনা বাড়ে বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের। তবু যদি খেতেই হয়, পরামর্শ নিন চিকিৎসকের। পারলে খাদ্য থেকেই প্রয়োজনীয় ভিটামিন গ্রহণের চেষ্টা করুন।