শুরু হচ্ছে ওয়ালটন স্কুল দাবা

0
38

ঢাকা , ১০ জানুয়ারি , (ডেইলি টাইমস২৪):

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ‘চেস ইন স্কুল’ কর্মসূচি চালু রয়েছে। গেল কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশেও স্কুল দাবা কর্মসূচি চালু হয়েছে। আর সেটা হচ্ছে ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায়। ২০১৪ সাল থেকে ওয়ালটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ওয়ালটন ট্যালেন্ট হান্ট স্কুল দাবা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।’ ব্যস্তসূচি ও অন্যান্য কারণে মাঝে কিছুদিন বন্ধ থাকার পর আবারো শুরু হতে যাচ্ছে ‘ওয়ালটন স্কুল দাবা’।

ওয়ালটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায়, গোল্ডেন স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে, বাংলাদেশ চেস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় ও বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সহযোগিতায় আগামীকাল শনিবার ধানমন্ডির ফ্রি স্কুল রোডে অবস্থিত ‘খান হাসান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দিনব্যাপী হবে এই প্রতিযোগিতা।’

এ বিষয়ে ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর (গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস) এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) বলেন, ‘আমরা ২০১৪ সাল থেকে স্কুল দাবা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও প্রতিযোগিতা চালিয়ে আসছি। মূলত এটা ট্যালেন্ট হান্ট কর্মসূচি। এটার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের দাবার প্রতি আকৃষ্ট করার পাশাপাশি তাদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা হচ্ছে। কারণ, দাবা একটি সৃজনশীল খেলা। যা ছাত্র-ছাত্রীদের মেধাকে আরো শানিত করে। বুদ্ধিদীপ্ত ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের ব্রত নিয়ে ওয়ালটন গ্রুপ এই ধরণের প্রতিযোগিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে কোনো মহিলা গ্র্যান্ড মাস্টার নেই। আমরা বালিকা বিদ্যালয়েও এই প্রোগ্রাম আয়োজন করছি। যাতে করে ভবিষ্যতে আমরা মহিলা গ্র্যান্ড মাস্টার পেতে পারি। দাবা একটি ইনডোর গেমস। বুদ্ধির খেলা। এখানে নারীর অংশগ্রহণে খুব একটা সমস্যা হয় না। আমরা ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্কুলে ওয়ালটন ট্যালেন্ট হান্ট দাবা প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছি। এই কাজে আমাদের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন।’

স্কুল দাবার বিষয়ে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবউদ্দিন শামীম বলেন, ‘ওয়ালটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় ও গোল্ডেন স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে ও আমাদের সহায়তায় স্কুল দাবা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনেকদিন ধরে আয়োজিত হয়ে আসছে। তাদের সঙ্গে আমরা সব সময়ই ছিলাম এবং এখনো আছি। কারণ দাবা ফেডারেশনের সহযোগিতা ছাড়া তো আর এগুলো করা সম্ভব না। এবারের এই আয়োজনেও আমরা তাদের সব ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছি। আসলে এটা একটা ভালো উদ্যোগ। বাইরের দেশগুলোতে স্কুল দাবা কর্মসূচি চালু রয়েছে। সামনে আমরাও বড় আকারে এই স্কুল দাবার আয়োজন করব। সেক্ষেত্রে এক সময় আমরা ভালো ভালো কিছু দাবাড়– পাব। ওয়ালটনের এই উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। এটাকে আরো ফলপ্রসু করে তোলার চিন্তাভাবনা করছি আমরা।’