জাতীয়

রাজধানীতে পরিত্যক্ত বাড়ির সংখ্যা ৬৪০৯

ঢাকা , ০৪ মার্চ , (ডেইলি টাইমস২৪):

বর্তমানে ঢাকায় ৬ হাজার ৪০৯টি পরিত্যক্ত বাড়ি রয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত পরিত্যক্ত বাড়িগুলো শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং চাহিদাপত্রের অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার জাতীয় সংসদে হাজী মো. সেলিমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি আরও জানান, পরিত্যক্ত বাড়িগুলোর মধ্যে থেকে বরাদ্দকৃত বাড়ি থেকে কিছু বাড়ি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বরাদ্দ প্রাপকদের অনুকূলে বিক্রয় করা হয়েছে। কিছু বাড়ি মালিকদের অনুকূলে অবমুক্ত করা হয়েছে।

এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০১০ সালে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে রাজধানীতে ৩২১টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করেছিল। এসব ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণ ও ভেঙে ফেলার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের।

ঝুকিপূর্ণ ভবন: মন্ত্রী জানান, ২০১৬ সালে ওই ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পুনরায় জরিপ করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর মধ্যে মালিকরা ২৫টি ভবন ভেঙে ফেলা হয়েছে।

এছাড়া ২৮টি ভবন মালিকরা ভেঙে নতুনভাবে নির্মাণ করেছেন। বর্তমানে ২৫৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বিদ্যমান আছে যার মধ্যে ৩৫টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন এবং ২২০টি বাহ্যিক ঝুঁকিপূর্ণ ভবন।

সংশ্লিষ্ট আন্ত:মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে ওই ভবনগুলি চূড়ান্তভাবে ঝুঁকিপূর্ণ নিশ্চিতকরণ সাপেক্ষে সেগুলো ভেঙে ফেলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

প্লট বরাদ্দ: র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় ২০০৩-২০১৯ সাল পর্যন্ত ৩, ৫, ৭ দশমিক ৫ ও ১০ কাঠা আয়তনের ২৪ হাজার ৬৯৬টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

প্লটগুলো মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/ সংসদ সদস্য ও সমমর্যাদা সম্পন্ন বিচারপতি, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সরকারি চাকুরীজীবী, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চাকুরীজীবী, সশস্ত্রবাহিনী, ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি, বেসরকারি চাকরিজীবী, শিল্পী সাহিত্যিক ও ক্রীড়াবিদ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী, অন্যান্য, মূল অধিবাসী, ক্ষতিগ্রস্ত এবং ১৩/ণ ধারা (সংরক্ষিত) ক্যাটাগরিতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে কম/বেশি ১৫ হাজার জনকে চূড়ান্তভাবে প্লট বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

সরকারের নেয়া ৮ পদক্ষেপে শিক্ষা থেকে শিশুদের ঝরে পড়া কমেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন বলেছেন, প্রাথমিক স্তরে শিশুদের ঝড়ে পড়া রোধে সরকার ৮ ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়: অসীম কুমার উকিলের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সারাদেশে ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। কিন্তু এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আপাতত একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ও একজন অফিস সহায়ক নিয়োগের সরকারের কোন পরিকল্পনা নেই।

প্রতিবন্ধী ১৬ লাখ ৩৫ হাজার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেছেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে ডাক্তার দ্বারা শনাক্ত করা হয়েছে।

তাদের সার্বিক তথ্য ‘ডিজেবিলিটি ইনফরমেশন সিস্টেম’-এ অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। বর্তমানে উক্ত সফটওয়্যারটি আধুনিকীকরণের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে।

মশিউর রহমান রাঙ্গার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০১৫ সালের ৩ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে লেমিনেটেড পরিচয়পত্র সরবরাহকাজের শুভ উদ্বোধন করেন। এন্ট্রিকৃত ডাটার আলোকে প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিদের মধ্যে লেমিনেটেড পরিচয়পত্র বিতরণ করা হচ্ছে।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button