সুস্থ হয়ে উঠছেন ওবায়দুল কাদের

0
33

ঢাকা , ০৬ মার্চ , (ডেইলি টাইমস২৪):

সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতির দিকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার প্যারামিটার দিন দিন ভালোর দিকে যাচ্ছে।

বুধবার বিকেলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. আবু নাছের এই তথ্য জানিয়েছেন।

মো. আবু নাছের জানান, মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল চিকিৎসাধীন ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার হালনাগাদ বিষয়াদি আজ দুপুরে দ্বিতীয়বারের মত ব্রিফ করেন পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান ডা. ফিলিপ কোহ। এ সময় বোর্ডের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিংয়ের পর বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক এবং নিওরোলজিস্ট প্রফেসর ডা. আবু নাসার রিজভী ডা. ফিলিপের বক্তব্যের আলোকে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার আপডেট উপস্থিত সবাইকে অবহিত করেন।

সিঙ্গাপুরের মেডিক্যাল টিম জানিয়েছে, ওবায়দুল কাদেরের সব প্যারামিটার দিন দিন ভালোর দিকে যাচ্ছে। তার কিডনি এখন খুব স্ট্যাবল আছে। ইনফেকশন অনেক কমে গেছে। ব্লাড টোন এখন ১২ হাজারে চলে এসেছে। ইউরিন আউটপুটও ভালো আছে। হার্টের কন্ডিশন, প্রেশার ও হার্টবিট খুব ভালো আছে।

‘আগামী দুই-এক দিনের ভেতর তার যে আর্টিফিশিয়াল ডিভাইসগুলো লাগানো আছে সেগুলো খুলে ফেলার চিন্তা করছে মেডিক্যাল বোর্ড। হয়তো কালকে কিছু খোলা হবে। শুক্রবার বাকিগুলো হয়তো খুলে ফেলা হতে পারে।’

ব্রিফিংয়ের সময় ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী বেগম ইসরাতুন্নেসা কাদের, সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী, ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দীন হাজারী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহে আলম মুরাদ, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, ফেনী পৌরসভার মেয়র হাজী আলাউদ্দিন, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর একেএম আজম ও আতাউর রহমান, ওয়েলফেয়ার অফিসার মো. আল আমিন হোসেন, ডিবিসি নিউজ চ্যানেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদুল আহসান, অগ্রণী এক্সচেঞ্জ এর সিইও মো. শরিফুল ইসলাম, সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশ কমিউনিটি নেতারাসহ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় ডা. ফিলিপ আবার ব্রিফ করবেন বলেও জানিয়েছেন মো. আবু নাছের।