জঙ্গিদের অর্থ ও আশ্রয় দেওয়া বন্ধ করুন: পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্র

0
55

ঢাকা , ০৭ মার্চ , (ডেইলি টাইমস২৪):

ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা নিরসনে দুই দেশের সঙ্গে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে উচ্চ পর্যায়ের এ যোগাযোগ চালানো হচ্ছে। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের উপ মুখপাত্র জানান, সামরিক পদক্ষেপের ব্যাপারে দুই দেশকেই নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি পাকিস্তানকে জঙ্গিদের আশ্রয় ও অর্থায়ন না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে সে দেশের আধাসামরিক বাহিনীর ওপর জইশ-ই-মোহাম্মদের স্বঘোষিত আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হলে এই পর্যায়ের ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা শুরু হয়। হামলায় রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের মাটিতে বিমান হামলা চালায় ভারত। এরপর থেকেই দুই দেশের সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে উঠে আসছে পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলা ও একে অন্যের হামলা প্রতিহত করার খবর। ভারত তাদের মাটিতে সংঘটিত জঙ্গি হামলায় পাকিস্তানের মদদের কথা বলে আসছে বহুদিন ধরেই। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও ভারতের এই অবস্থানের সঙ্গে কমবেশি একমত।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের উপ-মুখপাত্র রবার্ট পালাডিনো জানান, উত্তেজনা নিরসনে দুই দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন ‘পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পদক্ষেপ অব্যাহত রাখতে আমরা দুই পক্ষকে আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আর কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। সেকারণে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মেনে জঙ্গিদের আশ্রয় না দিতে ও তহবিল বন্ধ করে দিতে আমরা পাকিস্তানের প্রতি আমাদের আহ্বানের পুনরাবৃত্তি করছি।’

ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে রবার্ট পালাডিনো বলেন, ‘আমি যতোটুকু বলতে পারি, আমরা উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি। নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদে অবস্থিত আমাদের দূতাবাস এবং ওয়াশিংটনে অবস্থিত ভারতীয় ও পাকিস্তানি দূতাবাসের  মাধ্যমে আমরা দুই দেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাচ্ছি। এ প্রক্রিয়া টেকসই, চলমান এবং মাঝেমাঝে আমরা প্রকাশ কূটনীতি চালাই আবার কখনও কখনও একান্তে কূটনীতি চালাতে হয়। ঠিক এ সময়ে যা হচ্ছে, তার অনেকখানিই একান্তভাবে করা কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড।’