সকল ৭৩৭ ম্যাক্স বিমান সরিয়ে নেবে বোয়িং

0
19

ঢাকা , ১৪ মার্চ , (ডেইলি টাইমস২৪):

গত পাঁচ মাসে পর পর দুইটি দুর্ঘটনার পর নিজেদের অত্যাধুনিক বিমান ৭৩৭ ম্যাক্সকে গ্রাউন্ডেড করেছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং। গত বছরের অক্টোবর এবং গত রবিবার একই মডেলের দুইটি বিমান দুর্ঘটনার পর একে একে বিশ্বের ৪২টি দেশ গ্রাউন্ডেড করে এই বিমান। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণার পর নিজেদের এই মডেলের বিমান গ্রাউন্ডেড করলো বোয়িং। খবর বিবিসি।

এর আগে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তার প্রশাসন বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স জেটকে ‘গ্রাউন্ডেড’ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। ইথিপিয়ার বিধ্বস্তের ঘটনায় বিস্তারিত তদন্তের আগ পর্যন্ত তার প্রশাসনের এই নির্দেশ বহাল থাকবে। দুর্ঘটনার পরেও ৭৩৭ ম্যাক্স মডেলের বিমানটি উড়ানে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত জানালেও যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের পরেই নিজেদের মোট ৩৭১টি ৭৩৭ ম্যাক্স বিমানকে গ্রাউন্ডেড ঘোষণা করে বোয়িং।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন এডমিনিস্ট্রেশন জানায়, ‘বিমান দুর্ঘটোনার তদন্তে উদ্ধারকৃত নতুন প্রমাণের পাশাপাশি, স্যাটেলাইট ডেটার উপর ভিত্তি করেই এই মডেলের বিমানকে সাময়িক গ্রাউন্ডেড করার সিদ্ধান্ত উত্থাপন করা হয়’।

বিমান বিধ্বস্তের অগ্রগতি প্রসঙ্গে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স তাদের এক টুইট বার্তায় জানায়, ‘দুর্ঘটনার তদন্ত ব্যুরোর নেতৃত্বে একটি ইথিওপিয়ার প্রতিনিধিদল বিধ্বস্ত হওয়া ওই বিমানের ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার এবং ককপিট ভয়েস রেকর্ডার তদন্তের স্বার্থে ফ্রান্সের প্যারিসে নিয়ে গেছে’।

স্যাটেলাইট ট্র্যাকিংয়ের বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের দুর্ঘটনায় পড়া ওই বিমানের সঙ্গে গত অক্টোবরে ইন্দোনেশিয়ার একই মডেলের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনার মিল পাওয়া গেছে। এরপরই কানাডিয়ান ও আমেরিকান এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স গ্রাউন্ডেড করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে বিশ্বের মোট ৪২টি দেশ একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন: চীনের প্রেসিডেন্টকে ভয় পান মোদি: রাহুল গান্ধী

উল্লেখ্য, গত রবিবার (১০ মার্চ) ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স বিমানটি উড়ানের মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যেই বিধ্বস্ত হয়। এতে ৮ ক্রু ও ১৪৯ যাত্রীর সবাই নিহত হন। এর আগে গত ২৯ অক্টোবর বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স পরিচালিত রুটে উড্ডয়নের ১২ মিনিটের মাথায় জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছিল লায়ন এয়ারের একটি বিমান। এতে বিমানে থাকা ১৮৯ যাত্রীর সবাই মারা যান।