সারাদেশ

রাসিক মেয়র প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ায় খুশি রাজশাহীর মানুষ

ঢাকা , ২৯ এপ্রিল , (ডেইলি টাইমস২৪):

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে বলা হয় স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। ২০০৮ সালে রাসিকের মেয়র নির্বাচিত হয়ে তিনি রাজশাহীর দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছিলেন।

তারপরেও ২০১৩ সালে নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আবারো লিটনের প্রতিশ্রুতির শীর্ষে ছিল দৃশ্যমান উন্নয়ন। ফলে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। আর এ জয়ে উজ্জীবিত এখন রাজশাহী আওয়ামী লীগ।

তবে লিটনের বিজয়ের পরেও যেন ঠিক খুশি হতে পারছিলেন না তার সমর্থকরা। ২০০৮ সালে যখন মেয়র ছিলেন, তখন প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেছেন। এবার তিনি দায়িত্ব নিয়ে সেই মর্যাদা এতোদিন পাননি। তবে মঙ্গলবার তাকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দেয়া হয়েছে। এতে বেজায় খুশি রাজশাহীর মানুষ।

আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, লিটনের বিপুল জয়ের নেপথ্যে আওয়ামী লীগের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস। গত নির্বাচনে যেখানে আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী দৃশ্যত মাঠেই ছিলেন না, এবার তারা দিনরাত কাজ করেছেন। সেই সঙ্গে লিটন এবার মাঠে নামাতে পেরেছেন বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনকে। যারা প্রচারণার শুরু থেকেই মাঠে সক্রিয় ছিলেন। এতো বড় বিজয়ের পরেও পূর্ণতা ছিল না। তাকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়ায় খুশি তারা।

রাজশাহী-১ আসনের সাংসদ, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে প্রতিমন্ত্রী করায় আমিসহ সমগ্র রাজশাহীবাসী অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে শহিদ জাতীয় চার নেতার অন্যতম এএইচএম কামারুজ্জামানের সন্তান লিটন। শহিদ নেতার সন্তানকে এ মর্যাদা দিয়ে শেখ হাসিনা সকল শহিদ পিতা ও সন্তানদের সম্মানিত করেছেন, যা অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এটি সমগ্র রাজশাহীর উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তিনি খায়রুজ্জামান লিটনের নগরপিতা হিসেবে দোওয়া ও সফলতাও কামনা করেন।

রাজশাহীল বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক আবুল হোসেন বলেন, ‘আমরা জাতীয় চারনেতার সন্তানকে মন্ত্রীর মর্যাদায় দেখতে চেয়েছিলাম। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে (লিটন) প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা দিয়েছেন। এতে আমরা অত্যন্ত খুশি।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মো. জাকারিয়া বলেন, ‘ খায়রুজ্জামান লিটন রাজশাহীবাসীর নিরঙ্কুশ সমর্থন পেয়েছেন। তিনি পুনরায় রাসিকের মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় রাজশাহীর মানুষের মর্যাদা বেড়েছে। অর্থাৎ রাজশাহীর মর্যাদাও বেড়েছে। আমি মনে করি, সরকার মেয়ল লিটনকে সম্মানিত করে রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষের মতামতকে সম্মানিত করেছেন। আশাকরি খায়রুজ্জামান লিটনের হাত ধরে গতি পাবে রাজশাহীর উন্নয়ন।’

রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাত খান বলেন, এটি আমাদের কাছে প্রত্যাশিত ছিল। খায়রুজ্জামান লিটনকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়ায় এখন উন্নয়ন কাজে আরও গতি আসবে।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button