জাতীয়

সেই ডা. ফিরোজ রশীদকে এখন নিজের জন্য আমরণ অনশন করতে হচ্ছে

ঢাকা, ২০ জুন, (ডেইলি টাইমস ২৪):

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) এর কর্মী মঙ্গল সংঘের সাধারণ সম্পাদক ড. ফিরোজ আহমেদ কর্মচারীদের দাবি নিয়ে আন্দোলনের জন্য বলি হলেন। জানা গেছে, মলেক্যুলার ল্যাবের প্রধাবে হিসেবে কাজ করে আসছিলেন তিনি। এর মধ্যে চুক্তি নবায়নে টালবাহানা করে তাকে ২ বছরের নবায়নের স্থলে ৬ মাসের নবায়ন করা হয়। একই সাথে তাকে নিজের ল্যাব থেকে অন্য ল্যাবে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই ‘অন্যায়’ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আইসিডিডিআর,বি’তে তিনি আমরণ অনশন শুরু করেছেন। গত বছর কর্মী মঙ্গল সংঘের সাধারণ সম্পাদক ড. ফিরোজ আহমেদ সিওও-কে অপসারণ, ব্র্যাকের সাথে চুক্তি বাতিল ও জার্নাল বিক্রির বিষয় নিয়ে আন্দোলন করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে কর্তৃপক্ষ আন্দোলনের মুখে নমনীয় হয় কিন্তু কৌশলগত অবস্থান নিয়ে ফিরোজ রশীদকে ক্লিনিক্যাল মাইক্রোবায়োলজিক্যাল ল্যাবে স্থানান্তর করে। একই সাথে দুই বছরের বদলে ৬ মাসের চুক্তি নবায়ন করেছে সংস্থার কর্তৃপক্ষ। এদিকে ড. ফিরোজ রশীদ তাঁর বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণের প্রতিবাদে আমরণ অনশন শুরু করেছেন।   ফিরোজ রশীদের বিরুদ্ধে আকস্মিক এমন সিদ্ধান্ত কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে কর্তৃপক্ষের দেওয়া বক্তব্য ছিল অসংলগ্ন।

আইসিডিডিআর,বি ফিরোজ রশীদ যে ল্যাবের দায়িত্বে সেটা শুধু অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে অথচ কাগজপত্র ঘেটে দেখা গেছে দেড় লাখ টাকার ওপরে ওই ল্যাবের মুনাফা রয়েছে। তবে আইসিডিডিআর,বি’র একাধিক সূত্রের দাবি ফিরোজ রশীদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ কর্মচারীদের সংগঠনকে দুর্বল করে দেওয়ার জন্যই। ফিরোজ রশীদ ছাড়া যে কোনো আন্দোলন অচল, আখেরে লাভ কর্তৃপক্ষের। কেন না ফিরোজ রশীদ গত বছর আইসিডিডিআর,বি সিইও’র দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করে দেন।

ডা. ফিরোজ রশীদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া নেওয়া হয়েছে তা একেবারে অন্যায়। জাগো নিউজকে বলেন, কৌশলগত কারণে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ব্র্যাকের সাথে চুক্তি বাতিল, ডা. ফিরোজ রশীদ ঔষধশিল্পে বৈষম্যের প্রতিবাদে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে আন্দোলন করেন এবং বিষয়টি ততকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিগোচর হলে তিনি ব্যবস্থা নেন। ফিরোজ রশীদ তখন বেশ আলোচিত হন। সেই ফিরোজ রশীদকে এখন আমরণ আন্দোলন করতে হচ্ছে তার বিরুদ্ধে অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে।

 

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button