ধর্ম ও জীবন

জুমার প্রতি কদমে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব

ঢাকা, ০১ জুলাই, (ডেইলি টাইমস ২৪):

রাসূল (সা.) ইরশাদ করেন, যে জুমার দিনে সকাল সকাল গোসল করে এবং (নিজ স্ত্রীকে) গোসল করায় তারপর ইমামের কাছে গিয়ে বসে চুপ করে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে, তার প্রত্যেক কদমের বিনিময়ে রয়েছে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব। (তিরমিজি)

হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, জুমার দিন ফজরের নামাজ জামাতের সাথে আদায়কারীর মতো সৌভাগ্যবান আর কেউ হতে পারে না। কারণ, বান্দা যখন এই নামাজের পর হাত তুলে মুনাজাত করে, তখন মহান আল্লাহ্পাক কোনো অবস্থাতেই তা ফিরিয়ে দেন না। (বাইহাকি শরিফ)

জুমার দিনে কুরআন তেলাওয়াত 
জুমার দিন ফজর থেকে মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে পবিত্র কুরআনের সূরা ইয়াছিন, সূরা হুদ, সূরা কাহাফ এবং সূরা দুখান তেলাওয়াত কর, এই সূরাগুলিতে বর্ণিত বিষয়বস্তু অনুধাবন ও চিন্তাভাবনা করার বিশেষ ফজিলতের কথা হাদিস শরিফের বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে। বাইহাকি শরিফে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, জুমার দিন সূরা হুদ পাঠ করো।

অন্য এক বর্ণনায় আছে, যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, তার জন্য এক জুমা থেকে অন্য জুমা পর্যন্ত বিশেষ নূরের বাতি জ্বালানো হবে। তিবরানি শরিফের এক বর্ণনায় রয়েছে যে, যে ব্যক্তি জুমার দিনে বা রাতে সূরা দুখান তেলাওয়াত করে, আল্লাহ্পাক তার জন্য জান্নাতে একটা বিশেষ মহল নির্মাণ করেন।

জুমার দিনে ও রাতে দরূদ শরিফ পাঠের ফজিলত 
জুমার দিনে ও রাতে বেশি করে দরূদ শরিফ পাঠ করার বিশেষ ফজিলতের কথা বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, জুমার দিনে ও রাতে আমার প্রতি বেশি করে দরূদ শরিফ পাঠ করো। যে ব্যক্তি এরূপ দরূদ শরিফ পাঠ করবে, হাশরের ময়দানে আমি তার জন্য আল্লাহর সামনে সাক্ষ্য প্রদান করব এবং সুপারিশ করব। (বাইহাকি শরিফ)

নবী করিম (সা.) এর সুসংবাদের ভিত্তিতেই সাহাবায়ে কেরামের যুগ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আবেদ-জাহেদ বান্দাগণ জুমা দিবসে সর্বাধিক দরূদ শরিফ পড়ে আসছেন।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button