ফিচার

সাগরতলায় বিশাল পিরামিড

ঢাকা, ০১ জুলাই, (ডেইলি টাইমস ২৪):

প্রাণীকূলের শ্রেষ্ঠ প্রাণী মানুষ। সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই মানুষ তার হাত ও পা’কে ব্যবহার করে সভ্যতার ব্যাপক উৎকর্ষতার দিতে এগিয়ে গেছে। দোপেয়ে মানুষের অনুসন্ধানী মনের কারণে আজ পৃথিবীর খুব কম স্থানই অনাবিষ্কৃত রয়েছে। নিত্য নতুন আবিষ্কারের নেশায় মানুষ আজ মহাকাশে পর্যন্ত পাড়ি জমাচ্ছে। কিন্তু মানুষ কি পেরেছে সাগরতলের রহস্য ভেদ করতে? ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে মানুষের যতই ক্ষমতা থাকুক না কেন, সাগরের তলদেশে আজও মানুষ অনেক অসহায়। সম্প্রতি একদল অনুসন্ধানী দাবি করেছেন যে, তারা গুগল আর্থ সফটওয়্যারব্যবহার করে প্রশান্ত মহাসাগরের তলায় পিরামিড সদৃশ একটি বিশালাকার বস্তু আবিষ্কার করেছেন। দলটির মতে, সাগরতলার এই বিশাল পিরামিড পৃথিবীতে ভিনগ্রহবাসীদের আগমনের সত্যতা নিশ্চিত করে।

আর্জেন্টিনার গবেষক মার্সেলো জাজুস্তা প্রথম সাগরতলার ওই রহস্যময় পিরামিডের সন্ধান পান। তার মতে, তিনি প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশীয় অন্ধকার থেকে আলো নিঃসরিত হতে দেখে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। ওই আলোক রশ্মিই তাকে পরবর্তী আবিষ্কারের দিকে নিয়ে যায়। যদিও প্রথমদিকে মার্সেলোর এই কথায় কেউই অতটা আমল দেননি। কিন্তু কিছুদিন পরেই ভিনগ্রহ বিষয়ক বিখ্যাত গবেষক স্কট সি ওয়ারিং প্রশান্ত মহাসাগরের ওই অঞ্চলটি নির্নয় করেন এবং এসম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করতে শুরু করেন।

স্কট তার ইউএফও সাইটিংস ডেইলি ব্লগে লেখেন, ‘মেক্সিকো উপকূল থেকে মাত্র সাড়ে আট মাইল দূরে সাগরের তলায় একটি নিখুত পিরামিড রয়েছে। এখনই ঠিক করে বলা না গেলেও, এর আয়তন প্রায় সাড়ে আট মাইলের কাছাকাছি।’ কিন্তু কথা হলো, সাগর তলায় পিরামিড থাকলেও, এত বিশাল বড় একটি পিরামিড সাগরতলায় নির্মান করা এক কথায় অসম্ভব। বর্তমানের মানুষদের পক্ষেও তা অসম্ভব, আর সেখানে এই পিরামিডটি কবে থেকে সাগরতলায় রয়েছে তা এখনও বলা যাচ্ছে না। তবে ইতোমধ্যে কিছু গবেষক দাবি করছেন যে, মেক্সিকোর ওই বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এমনিতেও অনেকগুলো পিরামিড রয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরের তলায় আজ যেখানে পিরামিড দেখা যাচ্ছে, হয়তো একটা সময় ওই স্থানটি ভূপষ্ঠ ভাগেই ছিল।

গত এপ্রিলে স্কট তার ব্লগে আরও একটি স্থানের খবর জানিয়েছিলেন। সেখানেও তিনি রহস্যময় স্থাপত্য থাকার কথা উল্লেখ করেছিলেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, এন্টার্কটিকার নিকটবর্তী ডিসেপশন আইল্যান্ডের কাছাকাছি রয়েছে পৌরানিক কাহিনীতে থাকা কারাকেন সুইমিং পুল। যত যাই হোক, এখন পর্যন্ত এই বিষয়গুলো নিয় মূলধারার বিজ্ঞানীরা কিংবা গবেষকরা কথা বলা শুরু করেননি। হয়তো নিকট ভবিষ্যতে আরও তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা এবিষয়ে তাদের মুখ খুলবেন।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button