আইন ও আদালত

ইস্টার্ন হাউজিংয়ে জলাধার নির্ণয়ে ছয় সদস্যের কমিটি

ঢাকা, ০৩ জুলাই, (ডেইলি টাইমস ২৪):

রাজধানীর বনশ্রী-আফতবনগর এলাকার ইস্টার্ন হাউজিং এর প্রজেক্টে কতটি জলাধার আছে তা নির্ণয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশে কমিটি গঠন করেছে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এস এম মুনীর উদ্দিন স্বাক্ষরিত স্মারকে এ তথ্য জানা যায়। কমিটির সদস্যরা হলেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবান এন্ড রিজিওনাল বিভাগের প্রফেসর ড.সারোয়ার জাহান, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো.নুরুল করিম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিচালক (পরিকল্পনা) মো.সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, তেজগাঁওয়ের সেটেলমেন্ট এর ক্যাম্প বদর আমিন এর সার্ভেয়ার মো. আবুল হোসেন ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সমন্বয়ক আতিক মোরশেদ।

ইস্টার্ন হাউজিংয়ে কতটি জলাধার ও জলাভূমি ছিলো তা নির্ণয়ে হাইকোর্টে হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে আবেদন করেছিলো মনজিল মোরসেদ।

১০ মে এ আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে যান মনজিল মোরসেদ।

আপিল বিভাগ ২০ মে রাজধানীর বনশ্রী-আফতবনগর এলাকার ইস্টার্ন হাউজিং এর প্রজেক্টে কতটি জলাধার আছে তা নির্ণয়ের নির্দেশ দেন।

আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর একজন অধ্যাপকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের কমিটি করে জলাধারের সংখ্যা ও জমির পরিমাণ নির্ণয় করে ৪৫ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

আদালতের এ আদেশ কার্যকর করবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। আপিল বিভাগে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক।  আবেদনের পক্ষে ছিলেন মনজিল মোরসেদ।

বুধবার (২৯ জুন) মনজিল মোরসেদ জানান, আপিল বিভাগের নির্দেশে পরিবেশ মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করেছেন। যার অনুলিপি আমিও পেয়েছি।

মনজিল মোরসেদ আরও জানান, ওই প্রজেক্টে ৯০০ একরের ওপর জমি আছে। এখানে অনেক জলাধার ভরাট করা হয়েছে। এখনো অনেক জলাভূমি ভরাট করা হচ্ছে। তাই আমরা জলাধার রক্ষায় পরিবেশ ও জলাধার আইনের ভিত্তিতে হাইকোর্টে আবেদন করি।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button