জাতীয়

মলিন মুখে ঢাকায় ফেরা!

ঢাকা, ০৯ জুলাই, (ডেইলি টাইমস ২৪):

শেষ হচ্ছে ঈদের আমেজ। ফের জীবিকার তাগিদে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। গ্রাম থেকে কর্মজীবী মানুষের ফেরার এই মিছিল মূলত আজ (শনিবার) শুরু হয়েছে। তাদের চেহারায় বিষাদের চিহ্ন।

সকাল থেকেই কমলাপুর রেল স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।  তবে যানজটের চিরচেনা ঢাকা এখনো ফাঁকা। রোববার (১০ জুলাই) অফিস-আদালত খুললেও ঢাকার প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহন ও মানুষ খুবই কম।

শনিবার সকাল থেকেই চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, সিলেট, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, রংপুর ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রেন কমলাপুরে এসে পৌঁছেছে। ফেরার পথে নির্দিষ্ট স্টেশন থেকে সময়মত ট্রেন ছেড়েছে বলেও জানান যাত্রীরা।

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে ট্রেনে কমলাপুর এসে পৌঁছেছেন আতিকুর রহমান। সরকারি এই চাকুরীজীবী বাংলামেইলকে বলেন, ‘নাড়ির বাঁধন ছিড়ে আবার কর্মচঞ্চল নগরীতে ফিরে আসতে বিষাদে মন ঘন হয়ে উঠছে। কিন্তু কিছু করার নেই। পেশাগত কারণে ইট-পাথরের শহর ঢাকায় আসতেই হলো।’

কমলাপুর রেলওয়ের স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী বাংলামেইলকে জানান, স্টেশনে বিভিন্ন রুটের ট্রেন সময়মতই কমলাপুরে আসছে এবং যথা নিয়মেই ছেড়ে যাচ্ছে। সকালের ট্রেনে ঢাকায় অনেক যাত্রী নেমেছে। ঈদে অতিরিক্ত চাপ সামলাতে বাড়তি ট্রেনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সবমিলিয়ে আজ ৯২টি ট্রেন স্টেশন ছাড়বে এবং আসবে।

পবিত্র ঈদুল ফিতরে টানা নয় দিনের ছুটি শেষ শনিবার। আগামীকাল রোববার সচিবালয়, ব্যাংক ও অফিস-আদালত খুলবে। তাই যারা গ্রামের বাড়ি ঈদ করতে গিয়েছিলেন তারা রাজধানীতে ফেরা শুরু করেছেন।

জামালপুর থেকে ট্রেনে ঢাকায় এসেছেন বেসরকারি চাকরীজীবী কাজী আনিসুর রহমান। কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ঈদের ভিড় পড়ার আগেই ঢাকায় এসেছি। পথে কোনো সমস্যাও হয়নি। আজ সারাদিন ফাঁকা ঢাকার স্বাদ নেব।’

এদিকে আজও গ্রামমুখো মানুষদের কমলাপুর থেকে ট্রেনে বাড়ি যেতে দেখা গেছে। এমন একজন যাত্রী আলাউদ্দিন মিয়া। তিনি বলেন, ‘ঈদেও দোকানদারি করেছি। বেশ ব্যস্ত ছিলাম। আজ গ্রামে যাচ্ছি। ফাঁকা পথে যাওয়ার মজাই আলাদা।’

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button