লাইফস্টাইল

কীভাবে সামলাবেন এই প্রজন্মে শিশুদের?

ঢাকা, ১৬ জুলাই, (ডেইলি টাইমস ২৪):

বর্তমান প্রজন্মকে সামলানো কিন্ত্ত মোটেই সহজ কাজ নয়৷ যুগের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কমপ্লিকেটেড হচ্ছে সমাজ৷ আর তার মধ্যে বড় হওয়া ছেলেমেয়েরাও সেই জটিল পরিবেশেই বড় হচ্ছে৷ ফলস্বরূপ তাদের মধ্যে মুড সুইংস এবং অন্য কমপ্লিকেশনস বাড়ছে৷ সমস্যাটি মোটেও ক্ষুদ্র নয়৷ তাই আধুনিক পেরেন্টরা ঠিক কীভাবে হ্যান্ডেল করবেন বাড়ির ছোট সদস্যটিকে? জেনে নিন:

সময় কাটান

আপনি খুব ব্যস্ত৷ সময় দিতে পারেন না, এ সব কিন্ত্ত কোনও অজুহাত নয়৷ আপনার ব্যস্ততার জন্য তো আপনার সন্তান দায়ী নয়৷ বাড়ি ফিরে অনেক ক্লান্তির মধ্যেও সময় দেওয়ার চেষ্টা করুন৷ বাচ্চা আপনার ক্লান্তি ঠিক বুঝবে৷

নিয়ম জোর করে চাপাবেন না

প্রচুর নিয়ম মেনে চলতে হবে, এমনটা করলে খুব ভুল করছেন৷ মুঠোয় বালি যত চেপে ধরবেন তত তা পিছলে যাবে৷ তাই বেসিক কিছু নিয়ম শেখান৷ যেমন—-মিথ্যে কথা না বলা, মারপিট না করা, বড়দের সন্মান করা প্রভৃতি৷

স্বাধীনতা দিন

এখনকার যুগ ‘ইনডিপেন্ডেন্ট’ হওয়ার৷ তাই আপনার শিশু যা নিজে করতে পারে তা তাকে নিজেকেই করতে দিন৷ কী পড়বে, কী খাবে এই ছোট জায়গাগুলোতে স্বাধীনতা দিন৷

শাস্তি কখনওই ডিসিপ্লিন নয়

কিছু নিয়ম শেখা অবশ্যই দরকার৷ কিন্ত্ত অন্ধকার ঘরে আটকে রাখা কিংবা খেতে না দেওয়া, এরকম করে ডিসিপ্লিনড করা যায় না৷ বরং শিশুটি ট্রমায় চলে যেতে পারে৷ ডাক্তারবাবুও কিন্ত্ত আপনাকে ছেড়ে কথা বলবেন না সেক্ষেত্রে৷

উত্সাহ দিন

আপনার সন্তান নতুন কিছু করার চেষ্টা করলে উত্সাহ দিন৷ যে কোনও ভালো কাজে আপনি যে তার পাশে আছেন সেটা বুঝিয়ে দিন৷ নতুন কিছু করার সময় আপনার সন্তানের কাছে সবার আগে আপনার পাশে থাকাটা ম্যাটার করে৷

ভালোবাসেন তা বোঝান

ছোট থেকে বড় সব সন্তানই কিন্ত্ত আপনার ভালবাসাটা চায়৷ তাই আপনি তাকে কতটা ভালবাসেন তা বুঝিয়ে দিন৷ গুড নাইট কিস হোক বা রাতে গল্প শোনান, কিংবা ছোট কোনও উপহার৷ আপনাদের সম্পর্ক মধুর করে দেবে৷

পড়াশোনা চাপাবেন না

শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি৷ কিন্ত্ত নিজের পছন্দমত৷ আপনার ছেলে কিংবা মেয়ে যদি অন্যরকম কোন বিষয় নিয়ে পড়তে চায় তাহলে তাই করতে দিন৷

একসঙ্গে খেলুন

যে কোনও স্পোর্টস একসঙ্গে খেলুন৷ এতে সন্তানের সঙ্গে মানসিক কানেকশনটা গাঢ় হবে৷ চাপিয়ে দেবেন না। নিজের শখ কখনও চাপাবেন না খুদের উপর৷ এতে মানসিক স্ট্রেংথ পড়ে৷ ও যদি নিজে কিছু শিখতে চায় তাই শেখান৷

তুলনা টানবেন না

অন্য কারও সন্তানের সঙ্গে নিজের সন্তানের তুলনা করবেন না৷ এতে শিশুমনে এফেক্ট পড়ে৷ তাই ও নিজে যেমন ওকে তেমনই থাকতে দিন৷ কারণ প্রতিটি শিশুই আলাদা৷

বন্ধুর মতো মিশুন

সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশুন৷ যাতে কোনওরকম ভুল করলেও সেকথা আপনার সঙ্গে শেয়ার করে৷ এতে মনে কোনও প্রশ্ন থাকলেও তা সহজেই করতে পারবে৷

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button