অর্থ ও বাণিজ্য

একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন

ঢাকা, ২১ জুলাই, (ডেইলি টাইমস ২৪):

ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রিডের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ৭ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকার আটটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপাসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অনুমোদিত প্রকল্পের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র সদস্য ড. শামসুল আলম, পরিকল্পনা সচিব তারিক-উল-ইসলাম এবং শিল্পশক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সদস্য জুয়েনা আজিজ।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৮৬৮ কোটি ৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৩ হাজার ২৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৫৩৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৪ হাজার ৩০১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

তিনি বলেন, ‘সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্লান (২০১০) অনুসারে জাইকার অর্থায়নে মাতারবাড়িতে কয়লাভিত্তিক ১২০০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ বাস্তবায়নাধীন।’

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হল- ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রিডের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্প, এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

মাতারবাড়ি আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ারড পাওয়ার (২) পিজিসিবি অংশ, মাতারবাড়ি-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯০ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

ঠাকুরগাঁও চিনিকলের পুরাতন যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপন এবং সুগার বিট থেকে চিনি উৎপাদনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১১ কোটি ১০ লাখ টাকা।

শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন কম্পোনেন্ট-২ দেশের ৭টি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডায়াগনেস্টিক ইমেজিং ব্যবস্থার আধুনিকরণ প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন (২য় পর্যায়) প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

তারাইল-পাঁচুরিয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ (২য় পর্যায়) প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২২ কোটি ১ লাখ টাকা।

পদ্মা নদীর ভাঙন হতে রাজশাহী মহানগরীরর অন্তর্ভুক্ত সোনাইকান্দি-বুলনপুর পর্যন্ত এলাকা রক্ষা প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা।

ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ ফেজ-৩ প্রকল্পের ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় ঢাকা মহনগরীর লো ইনকাম কমিউনিটি (এলআইসি) এলাকার ঢাকা ওয়াসার পানি সরবরাহ সেবার মান উন্নয়ন এবং ঢাকা ওয়াসার ফাইনান্সিয়াল মডেলিং ও কারিগরি সক্ষমতা উন্নয়ন প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ কোটি টাকা।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button