জেলার সংবাদ

ঢাকের তালে গভীর রাতে মণ্ডপগুলোতে মিলন মেলা

ঢাকা, ১১ অক্টোবর, (ডেইলি টাইমস ২৪):

রাত পোহালেই মহাদশমী। গভীর রাতে ঢাকের তালে- তালে সরব ছিলো ঢাকার পূজামণ্ডপগুলো। মা দুর্গাকে খুশি করতে নাচ-গানে ব্যস্ত ছিলো শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণী। সেই সঙ্গে মণ্ডপগুলোতে ছিলো ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়।

সোমবার (অক্টোবর ১০) দিনগত গভীর রাতে রাজধানীর বনানী, রামপুরা, বসুন্ধরা, উত্তরা এলাকার প্রায় সব পূজামণ্ডপে এমন পরিস্থিতিই লক্ষ্য করা যায়। সেই সঙ্গে চোখে পড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা।

 

বিভিন্ন পূজামণ্ডপ এলাকায় ঢাকের শব্দের মুখরিত হয়ে উঠে। এরই মধ্যে ঢাকের তালে আরতি করতে দেখা যায় শিশু-কিশোর ও তরুণীদের। তাদের সঙ্গে সঙ্গ দিচ্ছেন বড়রাও। কিছুক্ষণ পরপর সবাই মিলে বলে উঠছেন, ‘দুর্গা মায়কি জয়, বলো দুর্গা মায়কি জয়।’

এমন মুহূর্ত স্মরণীয় করতে প্রিয়জনদের নিয়ে অনেকে সেলফি তুলছেন। কেউবা পূজা দিচ্ছেন আবার কেউ খুশি হয়ে বাদ্যযন্ত্রীদের নগদ অর্থ উপহার দিচ্ছেন।

রামপুরা পূজামণ্ডপে অমিত বলেন, দুর্গা মা এবার ঘোড়ায় চড়ে এসেছেন। সবাইকে অনন্দে রাখতে প্রার্থনা করেছি। পূজা উপলক্ষে কয়েটি দিন আনন্দে কেটেছে। রাত পোহালেই দশমী, দেবীকে বিসর্জন দিতে হবে।

ধানমন্ডির বাসিন্দা স্বপন। স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বসুন্ধরার পূজা মন্দিরে এসেছেন তিনি। বাংলানিউজকে তিনি বলেন, দেবীর কাছে এবার আমার পরিবারের সবার সুখ ও শান্তি চেয়েছি। সবাই যেন ভালো থাকেন। সুন্দর থাকেন, এটাই প্রার্থনা করেছি।

বেইলীরোড থেকে বনানীতে আসা তরুণী নন্দনী ঘোষ জানান, দুর্গা মা নারীর শক্তির প্রতীক, তাই একজন নারী হয়ে দেশের অরাজগতা দূর করে সব মানুষের মধ্যে শান্তি ফিরে আনার জন্য প্রার্থনা করেছি।

শিশু অমৃতা বলে, পূজায় এসে অনেক অনেক ভালো লাগছে। দুর্গা মাকে বলেছি আমাদেরকে যেন ভালো রাখেন। অমৃতার মা বলেন, স্বরসতীর কাছে মেয়েকে জ্ঞান দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করেছি।

মিরপুর থেকে উত্তরার পূজামণ্ডপে আসা নিপু বলেন, পূজা দেখতে ভালো লাগে। তাই সাবই মিলে প্রতি বছরই দেখতে আসি। বাবা ও মামার সঙ্গে আসা নাহমা বলেন, প্রতিমাগুলো দেখে অনেক সুন্দর লাগছে। আগে টিভিতে দেখেছি। ছবি তুলেছি, অনেক ভালো লাগছে।

গাজীপুর সদরের বাসিন্দা নাহমার বাবা বলেন, ‘আমাদের কালচার জানাতে বাচ্চাদের পূজায় নিয়ে এসেছি। আমরা হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ-খৃস্টান সবাই একসঙ্গে বাস করি। আর এটাই আমাদের জেনুইন কালচার।’

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button