জেলার সংবাদ

মঠবাড়িয়ায় কনের বাবা, নানা ও বরের চাচার কারাদণ্ড

ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর , (ডেইলি টাইমস ২৪):

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়য়ায় অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীকে বাল্যবিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে কনের বাবা, নানা এবং বরের চাচাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলা শহরের ব্র্যাক অফিসের নিকট কাজী অফিস থেকে অভিযুক্তদের আটক করে পুলিশ।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফরিদ উদ্দিন ভ্রাম্যমাণ  আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কনের বাবা বড় মাছুয়া গ্রামের মো. রুহুল আমীন, ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীর নানা দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের আবদুল গনি এবং বরের চাচা পৌর শহরের সবুজনগর মহল্লার মো. আব্দুল বারেক। থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে জানান, মঠবাড়িয়া উপজেলার বড়মাছুয়া এলাকার রুহুল আমীনের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রী জেসমিন আক্তারের (১২) সঙ্গে ঘোষের টিকিকাটা গ্রামের আ. আজিজের ছেলে আ. কাদেরের বিয়ে ঠিক হয়। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে  বরপক্ষ ও কনেপক্ষ মিলে মঠবাড়িয়া শহরের ব্র্যাক অফিসের নিকট কাজী অফিসে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিয়ের আয়োজন করেন।

এ সময় কাজী ওবায়দুল্লাহ কনে জেসমিনের জন্ম সনদে বয়স কম হওয়ায় বিয়ে পড়াতে অস্বীকার করেন। তবে দুপক্ষই বিয়ে পড়ানোর জন্য কাজীকে চাপ দিতে থাকলে একপর্যায়ে এ নিয়ে সেখানে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কনের বাবা রুহুল আমীন, নানা দক্ষিণ মিঠাখালী এলাকার আবদুল গনি এবং বরের চাচা সবুজনগর এলাকার আবদুল বারেককে আটক করে। এ সময় বরের বাবা আবদুল আজিজ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

মঠবাড়িয়া থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সততা নিশ্চিত করে বলেন, “আটককৃতরা বাল্যবিয়ের আয়োজন করেছিল। শুক্রবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফরিদ উদ্দিন অভিযুক্তদের প্রত্যেককে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। আজ শনিবার তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। “

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button
Close