খেলাধুলা

সাইফের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তান কুপোকাত!

ঢাকা, ১৫ ডিসেম্বর , (ডেইলি টাইমস ২৪):

টসে জিতে আফগানিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েই জুনিয়র টাইগারর বুঝিয়ে দিয়েছিল দিনটি তাদের হতে যাচ্ছে। হলোও তাই।

আফগানিস্তানের দেওয়া ১৪৭ রানের মামুলি টার্গেটে ৪৩.১ ওভারেই পৌঁছে গেল বাংলাদেশ। বল হাতে দায়িত্ব নিয়েছিলেন অনিক-মুকিদুলরা। এরপর ব্যাট হাতে মুখ্য ভূমিকা পালন করলেন ওপেনার সাইফ হোসেন। সাইফের হাফ সেঞ্চুরিতে ভর করে শ্রীলঙ্কায় চলমান অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচ ৫ উইকেটে জিতে নেয় জুনিয়র টাইগাররা।১৯ রানেই প্রথম উইকেট হারিয়ে একটু শঙ্কার মেঘ উঁকি দিয়েছিল বাংলাদেশ শিবিরে। ৬১ রানে বিস্ময় বালক আফিফ হোসেনও (১৯) বিদায় নেন। স্কোর বোর্ডে আর ৭ রান যোগ হতেই হাবিবুর রহমান প্যাভিলিয়নে ফিরলে কপালে ভাঁজ পড়ে সবার। কিন্তু তখনকার মতো শঙ্কা দূর করে সাইফ আর রায়ানের ব্যাট। সাইফ ১২৯ বলে ১০ বাউন্ডারির সাহায্যে ৬৭ রানে করে জয় থেকে মাত্র ৫ রান দূরে থাকতে জহির খানের বলে ইকরাম ফারাজীর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। এরপর ক্রিজে এসেই ফিরে যান রায়ান রাফসান রহমান (৩২)।

জয়ের এত কাছাকাছি গিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশের যুবারা। স্কোর লেভেল হয়ে যাওয়ার পর আবারও উইকেট পতন! বল হাতে সফল অনিকের বিদায়ে তেমন কোনো ক্ষতি না হলেও ব্যবধানটা একটু কমেছে। তবে এই অবস্থান থেকে আর যাই হোক পরাজয় তো সম্ভব নয়। তাই ৪ উইকেটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জুনিয়র টাইগাররা।

এর আগে বোলিং দাপট দেখিয়ে প্রতিপক্ষ আফগানিস্তানকে স্বল্প রানের মধ্যেই বেঁধে ফেলেছে জুনিয়র টাইগাররা। অনিক-মুকিদুলদের দাপটে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা দলীয় ১৪ রান থেকে উইকেট পতন শুরু হয় আফগানদের। পঞ্চম উইকেটে সর্বোচ্চ ৫৪ রানের জুটি গড়তে সক্ষম হয় তারা। আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন নাসির ওয়াহদাত। তিনি ৬৬ বল খেলে ১ বাউন্ডারিতে ৩২ রান করেন। ৪৪ বলে ২ বাউন্ডারিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন নাভিন-উল হক। তার সংগ্রহ ছিল ২৭ রান। এ ছাড়া পারউইজ ২৩ রান করেন। তবে অতিরিক্ত রান ছিল ২১ যা অত্যন্ত বেশি। ৪৮.৩ ওভারে ১৪৬ রানেই আফগানিস্তানের ইনিংস শেষ হয়।

বল হাতে ধ্বংসযজ্ঞের সূচনা করেন মুকিদুল ইসলাম। ইব্রাহিম জর্দানকে নাঈম হাসানের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। এরপর আরও ২ উইকেট জমা হয় তার ঝুলিতে। বোলিং করেছেন ৬.৩ ওভার। ১ মেডেনসহ রান দিয়েছেন ৩২। তবে মুকিদুলের চেয়ের ভয়ংকর ছিলেন কাজী অনিক। তিনি ৮ ওভার বল করে ১ মেডেন ও ২২ রান দিয়ে তুলে নেন ৪ উইকেট। একটি রান আউট ছাড়া বাকি ২ উইকেট ভাগাভাগি করে নেন নাঈম হাসান এবং সজীব হোসেন।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button