রাজনীতি

ই-ভোটিং চালুর বিরোধিতা বিএনপির

ঢাকা, ১৩ জানুয়ারি , (ডেইলি টাইমস ২৪):

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ন ও ই-ভোটিং চালুর যে প্রস্তাব দিয়েছে- তার বিরোধিতা করেছে বিএনপি। ইভিএম অনেক ত্রুটি থাকতে পারে বলে মনে করছে দলটি।

শুক্রবার ঢাকায় এক আলোচনা সভায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দলের এই অবস্থানের কথা তুলে ধরে বলেন, বর্তমান ‘একতরফা পার্লামেন্টে’ আইন হলে তা সবার গ্রহণযোগ‌্যতা পাবে না। আর ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ফেরালে তাতে নির্বাচনে ‘ডিজিটাল কারচুপি’ হবে।

“ভোট ডাকাতি, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, রাত ৩টা সময় ব্যালট বাক্স উধাও, ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের যাওয়ার পরিবর্তে সেখানে অন্য প্রাণীদের যাতায়াত- ইত্যাদি সব কিছুতে আওয়ামী লীগ সরকার বিশেষ স্টাইল দিয়েছে। … ইভিএম চালু করলে আরেকটি দুর্নীতি হবে। ”

সংবিধানে নির্বাচন কমিশন গঠনে আইনের কথা বলা থাকলেও সাড়ে চার দশকেও তা প্রণীত না হওয়ায় গতবারের মত এবারও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ইসি গঠনের উদ‌্যোগ নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

এ ছাড়া সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ই-ভোটিং’ এর চালুর কথাও বলা হয় আওয়ামী লীগের প্রস্তাবে। এর বিরোধিতায় বিএনপি নেতা রিজভী সরকারপ্রধাকে উদ্দেশ‌ করে বলেন, “আপনি নিজের মতো করে যদি আইন করেন তাহলে তো সব দলের সর্বজনগ্রাহ্য নির্বাচন কমিশন গঠন হবে না। আপনি কী আইন করবেন সেটা নিয়ে মানুষের মনে বিরাট সন্দেহ আছে। আপনার প্রত্যকটি আইন হচ্ছে গণবিরোধী, লুটপাটের পক্ষে, প্রত্যেকটি আইন হচ্ছে দুর্নীতির পক্ষে। ”

বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, সব দলের মতামতের ভিত্তিতে সার্চ কমিটি করে, সেই সার্চ কমিটির মাধ‌্যমে ‘গ্রহণযোগ্য’ ব্যক্তিদের নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দিতে হবে।

ই-ভোটিংয়ের বিরোধিতায় রিজভী বলেন, “ইভিএম অনেক ত্রুটি থাকতে পারে বলে ত্যাগ করতে হয়েছিল। এমনিতেই কারচুপির জন্য সব জায়গায় মানুষ তটস্থ। দুর্নীতির একটি নতুন মাত্রা দেওয়া হয়েছে ডিজিটাল কারচুপিতে। ”

পল্টনে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা ছাত্রলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই অনুষ্ঠানে রিজভী প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেরও সমালোচনা করেন।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button