জাতীয়

ঘটনার দিন অস্বাভাবিক কিছু পরিলক্ষিত হয়নি: হোটেল কর্তৃপক্ষ

ঢাকা,১৩ মে, (ডেইলি টাইমস ২৪):

রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত আবাসিক হোটেল ‘দ্য রেইন ট্রি’তে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের দিন অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করেনি হোটেল কর্তৃপক্ষ।

 শনিবার সকালে হোটেলটির প্রবেশমুখের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করতে গিয়ে এ কথা জানান হোটেলটির ম্যানেজার ফ্রাঙ্ক ফরগেট।

ফরগেট বলেন, ‘গত ২৮ মার্চ হোটেলটিতে ৫৮ জন স্টাফ কাজ করেছেন। আমরা তাদের সবাইকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তাদের কারো চোখে অস্বাভাবিক কিছু পড়েনি।’

সকালে মানবাধিকার কমিশন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর হোটেলটিতে অভিযান চালানোর পর এ প্রেস ব্রিফিং করে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন হোটেলটির ইন্টারনাল অপারেশন এক্সিকিউটিভ ফারজান আরা রিমি।

ধর্ষণ ঘটনায় অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে রিমি বলেন, ‘ঘটনার দিন ফ্রন্ট ডেস্কে অস্ত্র জমা দিয়েই হোটেলে প্রবেশ করেছিল সাফাত, সাদমান, নাঈমরা।’

তিনি আরও বলেন, ‘হোটেলের প্রতিটি রুম সাউন্ডপ্রুফ। ফলে রুমের মধ্যে কেউ চিৎকার করলেও তো বাইরে থেকে শোনার উপায় নেই।’

এসময় তিনি জানান ২৮ মার্চ ওই দুই তরুণী ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও হোটেলটি ৯ এপ্রিল চালু হয়।

এদিকে হোটেলটির নিরাপত্তা ব্যবস্থায় থাকা সিসিটিভি ফুটেজ না থাকার ব্যাখ্যায় হোটেল ম্যানেজার ফরগেট বলেন, ইন্টারন্যাশনাল হোটেল ট্যুরিজমের নিয়ম অনুযায়ী ৩০ দিনের বেশি সময়ের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ জমা রাখা হয় না।

গত ২৮ মার্চ বন্ধুর সঙ্গে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে ধর্ষণের শিকার হন দুই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণী। ওই ঘটনায় গত ৬ মে রাজধানীর বনানী থানায় মামলা করেন নির্যাতনের শিকার এক তরুণী।

মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত (২৬) ও পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক ও রেগনাম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে সাদমান (২৪) গ্রেফতার হয়েছেন। গ্রেফতার দুইজনের মধ্যে একজনের ৬ দিন এবং অপর জনকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

এই মামলার অন্য তিন আসামির মধ্যে রয়েছে- সাফাতের বন্ধু নাঈম আশরাফ (প্রকৃত নাম হাসান মো. হালিম), সাফাতের দেহরক্ষী ও গাড়িচালক। মামলার পর আসামিরা পলাতক রয়েছে।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button