বিনোদন

এবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার গতবারের চেয়ে ভিন্ন অনুভূতি দিয়েছে’

ঢাকা,২২ মে, (ডেইলি টাইমস ২৪):

মাহফুজ আহমেদ। দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন। ‘জিরো ডিগ্রি’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে এবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন তিনি। এ সম্মান প্রাপ্তি, সমসাময়িক ব্যস্ততাসহ নানাদিক নিয়ে কথা বললেন —
‘আমাদের দেশে চলচ্চিত্রের বাজার খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই। প্রেক্ষাগৃহও দিন দিন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই বুঝেশুনে চলচ্চিত্রে আসি। মাঝে মাঝে এলেও ভালো একটি ছবি নিয়ে আসার প্রতীক্ষায় থাকি। আমি যে ক’টি ছবিতে অভিনয় করেছি সেগুলো গতানুগতিক ধারার একটু বাইরের।’
দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন। কেমন লাগছে?
বিষয়টি অবশ্যই ভালোলাগার। কাজের স্বীকৃতি কার না ভালো লাগে। পুরস্কার ঘোষণার রাতে বিষয়টি জানার পর থেকেই নিজের ভেতর অন্যরকম এক ভালোলাগা কাজ করছে। এর আগে ‘লাল সবুজ’ ছবিতে অভিনয় করে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছি। এবার পেলাম ‘জিরো ডিগ্রি’-তে অভিনয় করে। পুরস্কারটি কাজের দায়িত্ব আরো বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
নিজের প্রযোজিত ছবিতে অভিনয় করে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। এই অনুভূতিটা নিশ্চয় ভিন্ন। এ প্রসঙ্গে বলুন—
সত্যি বলতে ছবিটির জন্য বেশ কষ্ট করতে হয়েছে। পুরো টিমই  আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করেছে। তাই শুটিংয়ের সময়ই ভেবেছিলাম ভালো একটি ছবি হবে। তবে এ ছবিতে অভিনয়ের জন্য এমন সাফল্য আসবে ভাবিনি। তাই এবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার গতবারের চেয়ে ভিন্ন অনুভূতি দিয়েছে।
সিনেমায় আপনাকে মাঝে মাঝে দর্শকরা দেখতে পান। নিয়মিত না হওয়ার পেছনে কারণ কী?
সব অভিনেতারই যদি প্রতিমাসে একটি ছবি মুক্তি পায় তাহলে তো হবে না। কারণ আমাদের দেশে চলচ্চিত্রের বাজার খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই। প্রেক্ষাগৃহও দিন দিন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই বুঝেশুনে চলচ্চিত্রে আসি। মাঝে মাঝে এলেও ভালো একটি ছবি নিয়ে আসার প্রতীক্ষায় থাকি। আমি যে ক’টি ছবিতে অভিনয় করেছি সেগুলো গতানুগতিক ধারার একটু বাইরের। যেভাবে আছি এভাবেই থাকতে চাই। সময় ও সুযোগ বুঝেই চলচ্চিত্র নির্মাণ এবং অভিনয় করবো।
আপনাকে বেশিরভাগ ঈদে ছোটপর্দায় দেখা যায়। এবারের ঈদের নাটকের ব্যস্ততা কেমন?
ঈদের নাটক নিয়েই তো ব্যস্ততা আছে। এটা মূলত টিভি নির্মাতা ও আর্টিস্টদের কাজের মাস। এ সময়টা সবাই কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আমিও রয়েছি। কয়েকটি নাটকে অভিনয় করলাম। নাম মনে নেই। এছাড়াও প্রতিদিনই নতুন নাটকের শুটিংয়ে যেতে হচ্ছে।
অভিনয়ের পাশাপাশি আপনি পরিচালক। কেমন উপভোগ করেন?
অভিনয় আর পরিচালনা একসঙ্গে আমার কখনোই ভালো লাগে না। তবে চরিত্র অনুযায়ী অভিনেতা না পেলে বাধ্য হয়েই করি। আমাদের এই শিল্পে নির্ভরযোগ্য অভিনেতার খুব অভাব।
আপনি প্রথমে অভিনেতা পরে নির্মাতা। কাজের ক্ষেত্রে আমাদের দেশে নির্মাতাদের মধ্যে কতটা পেশাদারিত্ব দেখতে পান?
আমাদের দেশে পরিচালনার ক্ষেত্রে এখনো পুরোপুরি পেশাদারিত্ব তৈরি হয়নি। কাজের পরিবেশটা একজন শিল্পীর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। একজন শিল্পীর কাজ করার পরিবেশটা যেমন আরামদায়ক হওয়া জরুরি ঠিক তেমনি নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকাটাও বেশ জরুরি। এটা না হলে শিল্পীর জন্য কাজ করা মানসিকভাবে অনেক চাপের হয়ে দাঁড়ায়। সেটা এখনো হয়নি আমাদের দেশে। যে যার মতো পারছে কাজ করছে।
Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button