ফ্যাশন

পর্দার আড়ালে বলিউড তারকাদের আউটফিটের কিছু গল্প

ঢাকা, ০৩ জুন, (ডেইলি টাইমস ২৪):

শুধু তারকাদের অভিনয়ের দক্ষতা এবং সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ডের জন্য নয়, পুরো একটি দৃশ্যকে ভালোভাবে উপস্থাপন করতে চাই সুন্দর এবং মানানসই আউটফিট। বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাতারা মনে করেন স্টাইলিং ডিপার্টমেন্টে ভালো একটি বাজেট থাকলে তা সহজেই দর্শকদের আকর্ষণ করতে পারে। এমনকি এটা পরবর্তীতে তরুণদের ট্রেন্ডেও পরিণত হয়।

চলচ্চিত্রের জন্য পোশাকগুলো আগেই প্রোডাকশন হাউজের ট্রাঙ্কে সংগৃহীত থাকে। হ্যাঁ, সিনেমা শেষে অনেক পোশাকই থেকে যায় যেগুলো একবারও কাউকে পরানো হয়নি। যশরাজ ফিল্মস প্রোডাকশনের একজন স্টাইলিস্ট আয়েশা খান্না বলেন, জাঁকাল এই পোশাকগুলো সিনেমা শেষে আবার ট্রাঙ্কেই রেখে দেওয়া হয় এবং এর সাথে একটা করে লেবেল দেওয়া হয় কোন সিনেমায় কোন তারকা এটি পরেছিলেন।

‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ সিনেমার একটি দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

এই লেবেলের সাথে এটাও লেখা থাকে যে, এই পোশক কোন কেন্দ্রীয় চরিত্র, পার্শ্ব অভিনেতা অভিনেত্রী, নাকি অন্যান্য়রা পরেছিলেন। তবে মজার ব্যাপার হলো, এই আউটফিটগুলো একাধিকবারও ব্যবহার করা হয়। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনেছেন। আর অনেক ভাবনা-চিন্তা করে এমনভাবে পোশাকগুলো নির্ধারণ করা হয় যেন দর্শকরা যেন এটি বুঝতে না পারে।

এর বাস্তব উদাহরণ জানতে চান? আয়েশা খান্নাই এর উদাহরণ বলে দিলেন। ঐশ্বরিয়া রাইয়ের ‘কাজরা রে’ আউটফিটটি ২০১০ সালে ‘ব্যান্ড বাজা বারাত’ এর একজন ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সার পরেছিলেন এবং খুব সম্ভব এটি কেউ খেয়াল করে নি।

‘ব্যান্ড বাজা বারাত’ গানের একটি দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

আবার অনেক সময় দেখা যায়, কোন অভিনেতা বা অভিনেত্রী যখন কোন পোশাক খুব পছন্দ করেন, তখন সেটা তিনি নিয়ে নেন এবং কোন প্রশ্ন করা হয় না। আবার অনেক সময় দেখা যায়, যখন কোন সেলিব্রেটি ডিজাইনার সিনেমার জন্য কোন আউটফিট ডিজাইন করেন, তখন সিনেমা শেষে তিনিও সেটা নিয়ে নেন। এর পুরোটাই ছবির প্রোডাকশন খরচ হিসেবে ধরা হয়।

তবে কোনো আউটফিট যখন অনেক হিট করে, তখন দেখা যায় সেটি নিলামে বিক্রি করে চ্যারিটিতে দেওয়া হয়। যেমন, ‘জিনে কে হ্যায় চার দিন’ গানে সালমান খানের বিখ্যাত টাওয়েলটি নিলামে ১,৪২,০০০ রুপিতে বিক্রি করা হয়। আবার ‘লাগান’ সিনেমায় আমির খানের ব্যাটটি নিলামে ১,৫৬,০০০ রুপিতে বিক্রি করা হয়।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button