আন্তর্জাতিক

দিল্লির নিষিদ্ধ পল্লিতে কিশোরী! রহস্য অচেনা নম্বরে

ঢাকা, ০৬ জুন, (ডেইলি টাইমস ২৪):

অচেনা নম্বর থেকে এসেছিল ফোন। তার পর ধীরে ধীরে জমে ওঠে প্রেমপর্ব।

কয়েকমাস পর বিয়ের প্রস্তাব। রাজি হয়ে নিজের বাড়ি ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালাতে গিয়ে দিল্লীর নিষিদ্ধ পল্লিতে বিক্রি হয়ে যাওয়া। দুই কিশোরীর ভাগ্যেই জুটেছিল এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। দুই জনেরই পরিবার অভিযোগ জানিয়েছিল বারুইপুর থানায়। অবশেষে গত ২৫ মে দিল্লির একটি নিষিদ্ধ পল্লি থেকে ওই দুই কিশোরীকে উদ্ধার করে বারুইপুর থানার পুলিশ। রবিবার রাতে তাদের নিয়ে বারুইপুর থানায় ফেরে পুলিশের দলটি। সোমবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে বিচারকদের কাছে গোপন জবানবন্দি দিয়েছে বারুইপুরের সূর্যপুর গ্রামের দুই কিশোরী। তখনই সামনে আসে পুরো ঘটনা।

জানা যায়, মাস তিনেক ধরে দুজনেই অচেনা নম্বর থেকে আসা ফোনের প্রেমে পড়ে। ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি কী বিপজ্জনক ফাঁদ পাতা হয়েছে তাদের জন্য। ধীরে ধীরে সম্পর্ক বিয়ের দিকে গড়ায়। অবশেযে বাড়ি থেকে প্রেমিকদের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সূর্যপুর স্টেশনে আসতেই মুখে রুমাল চাপা দিয়ে তাদের অচৈতন্য করে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। জ্ঞান ফিরলে তারা নিজেদের আবিষ্কার করে দিল্লীর নিষিদ্ধ পল্লিতে। অবশেষে এক কিশোরী গত মে মাসের ৯ তারিখে লুকিয়ে বাড়িতে ফোন করে। সেই ফোনের সূত্র ধরেই তাদের উদ্ধার করে পুলিশ।

পাচার কাজের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দিল্লি থেকে বাবু নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে নারী পাচারকারীদের আতুর ঘর হিসেবে ধরা হয়। প্রতি বছর এই জেলা থেকে বহু শিশু ও মহিলা, কিশোরী পাচার হয়ে যায় ভিন রাজ্যে। মাত্র এক সপ্তাহ আগেই এই জেলার মথুরাপুর থানার পুলিশ আগ্রা থেকে ছ’জন কিশোরীকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছিল, অন্যদিকে দিন তিনেক আগে জয়নগর থানার পুলিশ উদ্ধার করেছিলো দুই কিশোরীকে। এবার সামনে এল সূ্র্যপুর গ্রামের দুই কিশোরীর ঘটনা।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button