জাতীয়

ভূমি অবমুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত

ঢাকা, ১৪ জুন, (ডেইলি টাইমস ২৪):

রাজধানীর রামপুরা থেকে খিলক্ষেত পর্যন্ত সড়কের দু’পাশের অধিগ্রহণ করা ভূমি অবমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অধিগ্রহণ করা জমি ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ভূমি সচিব ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, ঢাকার জেলা প্রশাসক ও রাজউক প্রতিনিধি।

এদিকে রামপুরা থেকে খিলক্ষেত পর্যন্ত সড়কের দু’পাশের জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে বিভ্রান্তি নিয়ে গত ১৩ জুন সংবাদ প্রকাশ করে দেশের বহুল প্রচারিত ও পাঠাকপ্রিয় দৈনিক যুগান্তর। ‘লাখো মানুষের ভিটেমাটি কেড়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র’ শিরোনামের প্রতিবেদনে ভূমি নিয়ে মানুষের আতঙ্কে দিনযাপনের কথা তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালে ঢাকা জেলা প্রশাসনের ভূমি হুকুমদখল কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জোয়ার সাহারা, ভাটারা, বাড্ডা, উলন, সুতিখোলা, ভোলা, সামাইর, শাহজাদপুর, খিলক্ষেত, নূরেরচালা, কুড়িল, নয়ানগর, কালাচাঁদপুর, জগন্নাথপুর, নর্দ্দা, কুড়াতলীসহ আশপাশের আরও বেশকিছু মৌজার জমির খাজনা, নামজারি বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট এসি ল্যান্ড এবং তহশিল অফিসকে নির্দেশ দেয়া হয়।

ওই চিঠিতে বলা হয়, ভূমি মন্ত্রণালয় জারিকৃত ২০০০ সালের ১২ মার্চ ১১৭ নম্বর স্মারকের পরিপত্রে এসব এলাকার জমির খাজনা এবং নামজারির বিষয়ে আপত্তি জানানোয় এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

ঢাকা ডিসি অফিসের এ আদেশের পর ওইসব এলাকার কয়েক লাখ মানুষ আতঙ্কে দিনাতিপাত করছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, এলএ কেস (ল্যান্ড অ্যাকুইজিশন) ১৩৮/১৯৬১-৬২, ৯১/১৯৫৭-৫৮ ও ২৩/১৯৬৬-এর কারণে ওই এলাকাবাসীর দুর্দশা শুরু হয়। আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। প্রথম অধিগ্রহণ জমির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৭৬০ একর। ৬৫২ একর চূড়ান্তভাবে অধিগ্রহণ করলেও বাকি জমি ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

তবে জমি অবমুক্ত করে লাখো মানুষের দুর্দশা লাঘব করার জন্য সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ এবং সাহাবুদ্দীন আহমদ লিখিত নির্দেশ দিয়েছিলেন।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button