জাতীয়প্রধান সংবাদ

পাহাড়ধস: মৃতের সংখ্যা ১৪৯

পার্বত্য জেলা চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৯ জনে পৌঁছেছে। এখনো অনেকেই নিখোঁজ রয়েছে যাদের সন্ধানে উদ্ধারকর্মীরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

নতুন করে কয়েকজনের লাশ উদ্ধারের পর নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৯ জন হয়েছে বলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এর আগে কয়েকজনের লাশ উদ্ধারের পর নিহতের সংখ্যা ১৪৫ জন হয়েছে বলে জানানো হয়েছিল।

নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বরত কর্মকর্তা দলিল উদ্দিন জানান, পাহাড় ধসের ঘটনায় বুধবার বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত রাঙামাটিতে ১০৬ জন, চট্টগ্রামে ২৯ জন, বান্দরবানে ছয় জন, কক্সবাজারে দুইজন এবং খাগড়াছড়িতে একজন ছাড়াও আরও চারজনের লাশ উদ্ধারের তথ্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে গাছ চাপা, দেয়াল চাপা ও পানিতে ভেসে আরও সাতজনের তথ্য এসেছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে।

প্রবল বর্ষণে ১২ জুলাই সোমবার মধ্যরাত ও ১৩ জুলাই মঙ্গলবার ভোরে পাহাড়ধসে পার্বত্য জেলাগুলোতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে। তবে আরও প্রাণহানির আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। অভিযানে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয় লোকজন কাজ করছেন।

রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রকাশ কান্তি চৌধুরী জানান, ১৪ জুন বুধবার রাঙামাটি থেকে আরও আটজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ভেদভেদি থেকে মা-মেয়েসহ পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া যুব উন্নয়ন এলাকা থেকে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রাঙামাটিতে মৃতের সংখ্যা ৯৮ থেকে বেড়ে ১০৬-এ পৌঁছেছে। এ সংখ্যা বাড়তে পারে।

এদিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ২৬ জন ও চন্দনাইশে তিনজন এবং বান্দরবানে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার বেলা দুইটার দিকে বান্দরবানের লেমুঝিরি আগাপাড়া এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে আজিজুর রহমানের নিখোঁজ স্ত্রী কামরুন্নাহার (৪৫) ও মেয়ে সুখিয়া আক্তারকে (১৪) উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়ি ইউনিয়নের পরিমল চাকমা মঙ্গলবার সকাল সাতটায় গরু আনতে গিয়ে পাহাড়ধসে মারা গেছেন। এ সময় তার তিনটি গরুও মারা যায়।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button