জেলার সংবাদ

নাটোরে চেয়ারম্যানসহ সাতজনকে রক্তমাখা কাফনের কাপড় প্রেরণ

ঢাকা, ১৭ জুন, (ডেইলি টাইমস ২৪):

নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামসহ সাতজনকে হত্যার হুমকি দিয়ে রক্তমাখা কাফনের কাপড়সহ দুটি চিঠি এসেছে জেলার প্রেসক্লাবে। আজ শনিবার দুপুরে নাটোর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চিঠি দুটি তাঁর কার্যালয়ে পেয়েছেন।

এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি চলছে।নাটোর প্রেসক্লাব সূত্রে জানা যায়, আজ শনিবার বেলা সোয়া একটার দিকে সাধারণ সম্পাদক আল মামুন তাঁর কার্যালয়ে গিয়ে মেঝেতে সাদা খামে দুটি চিঠি পড়ে থাকতে দেখেন। একটির ওপর সাধারণ সম্পাদক/সভাপতি লেখা রয়েছে। অন্যটির ওপর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজানের নাম লেখা রয়েছে। সম্পাদক তাঁর চিঠিটি খুলে দেখেন তাতে একটি চিঠি ও রক্তমাখা এক টুকরা কাফনের কাপড় রয়েছে। চিঠির ওপরের অংশে যথাক্রমে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজান, জেলা পরিষদের সদস্য শফিউল ইসলাম স্বপন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ আল সাকিব বাকী, সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎ, জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি মশিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শাহীনের নাম লেখা রয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন জানান, এসব নামের নিচে লেখা হয়েছে, তাঁরা সবাই যেন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হন। তিনি চিঠিটি পড়ার পর সদর থানার পুলিশকে মুঠোফোনে জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে জিডির প্রক্রিয়া চলছে। অপর চিঠিটি তিনি খোলেননি।

তিনি সদর থানার ওসি সিকদার মশিউর রহমানের বরাত দিয়ে আরো জানান, পুলিশ চিঠিটি জব্দ করে চিঠির প্রেরককে শনাক্ত করার চেষ্টা করবে।

এদিকে চিঠির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রেসক্লাবে যান জেলা পরিষদের সদস্য শফিউল ইসলাম স্বপন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘নাটোরে আওয়ামী লীগে অভ্যন্তরীণ বিরোধ রয়েছে। আমরা উপজেলা চেয়ারম্যান ভাইয়ের সঙ্গে চলাফেরা করি। যাদের নাম এসেছে তাঁরা সবাই সম্প্রতি সাংবাদিকদের নিয়ে একটি ইফতার মাহফিল করেছি। এটা আমাদের দলের অনেকে পছন্দ করেননি। তাঁদের কেউ ভয় দেখানোর জন্য আমাদের নামে এ চিঠি দিয়ে থাকতে পারে। তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি আমাদের অনুরোধ, আপনারা তদন্ত করে চিঠির প্রেরককে খুঁজে বের করুন এবং আইনগত ব্যবস্থা নিন। ’

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button