জাতীয়

বন্যায় যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তার চেয়ে বেশি চাল আমদানি করা হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর,(ডেইলি টাইমস ২৪):

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘চালের দাম কমতে শুরু করেছে। নভেম্বরের শেষ ও ডিসেম্বরের প্রথমে নতুন ফসল উঠবে। কাজেই চিন্তিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। চালের বাজার স্বাভাবিক হয়ে যাবে। চালের কোনও সংকট নাই। বন্যা ও হাওরের পানি বেড়ে যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তার চেয়ে বেশি চাল আমদানি করা হচ্ছে।’

সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘চালের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান অব্যাহত থাকবে। যারা চাল মজুদ করবে তাদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। কোনও ছাড় নাই। সেক্ষেত্রে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, মজুদ বিরোধী আইনসহ যা যা আছে সব প্রয়োগ করা হবে। অবৈধ মজুদ পেলেই মজুদদারদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমদানি করা চালের ক্ষেত্রে চটের বস্তার ব্যবহার তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এর সুফল জনগণ পাবে। তবে দেশের ভেতরে ১৭টি পণ্যের ক্ষেত্রে প্যাকেজিং আইন বলবৎ থাকবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এসময় পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘পাট আমাদের জাতীয় সম্পদ। রফতানিকৃত পাঁচটি পণ্যের তালিকায় পাট রয়েছে। পাটচাষীদের উৎসাহিত করতে প্রণোদনাও দেওয়া হচ্ছে। কাজেই পাট মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তই সরকারের সিদ্ধান্ত। আমাদের মধ্যে কোনও বিভেদ নাই। আমরা সবাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই সরকারের কাজ করছি।’ চালের দাম স্বাভাবিক করতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

এর আগে তিনি জানান, চাল আমদানিতে পাটের বস্তা ব্যবহারের সরকারি বাধ্যবাধকতা তিন মাসের জন্য শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, ‘বলেন, ‘চাল সংকট এখন জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। সেদিক বিবেচনা করে আগামী তিন মাসের জন্য আমদানি করা চাল আনতে চটের বস্তা ব্যবহারে সরকারি বাধবাধকতা শিথিল করা হয়েছে। আগামী ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।’

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button