লাইফস্টাইল

সকাল সকাল শারীরিক ভালোবাসা চনমনে রাখবে সারাদিন!

ঢাকা, ১২ অক্টোবর, (ডেইলি টাইমস ২৪):

সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা পছন্দ করেন না অনেকেই। সকালের আলো না ফুটতেই শরীরটাকে বিছানা থেকে টেনে তোলার কথা যাদের কাছে অত্যাচার মনে হয়, তাদের মনটা হয়তো ভালো করে দেবে নতুন একটি গবেষণার তথ্য। এই গবেষণা বলছে, যারা সকাল সকালই সঙ্গীর সাথে যৌনতায় লিপ্ত হন, তারা পান দারুণ কিছু উপকার। সকালে ঘুম থেকে না উঠলে এসব উপকার থেকে রীতিমত বঞ্চিত হবেন আপনি।

ফোরজা সাপ্লিমেন্টস নামের একটি হেলথ অ্যান্ড ফিটনেস কোম্পানির গবেষকেরা এক হাজার মানুষের ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। মূলত তাদের সার্কাডিয়ান রিদম বা ঘুমের ব্যাপারটা দেখা হয়। তাদেরকে বলা হয় সেই সময়টা শনাক্ত করতে যখন তারা ব্যায়াম, খাওয়া বা অন্তরঙ্গতা থেকে সবচাইতে ভালো ফলাফল পাচ্ছেন।

বেশিরভাগ মানুষের মতে, সকালে সাড়ে সাতটার সময়ে সঙ্গীর সাথে শারীরিক অন্তরঙ্গতা তাদের স্ট্রেস লেভেল কম রাখে বাকি সারাটা দিন। যেহেতু পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন বেশি থাকে দিনের বেলায়, সুতরাং এ সময়ে যৌনক্রিয়াও বেশ কিছুটা সময় ধরে উপভোগ করা যায়। ঘুম থেকে ওঠার মোটামুটি ৪৫ মিনিট পর নারী ও পুরুষ উভয়েরই এনার্জি লেভেল ভালো থাকে, ফলে এ সময়টা উপভোগ করতে পারবেন দুজনেই। স্ট্রেস কমানোর পাশপাশি আপনার ব্লাড প্রেশারও কমাতে পারে এই কাজটি।

 

এই গবেষণা অনুযায়ী, সকাল ৬টা ৪৫ এ ঘুম থেকে উঠতে হবে আপনাকে। তা করলে আপনি মোটামুটি সাত থেকে নয় ঘন্টা ঘুমাতে পারবেন। ৭টার সময়ে দৌড়াতে (বা ব্যায়াম করতে) হবে, যা কিনা আপনার কোমরের মেদ কমানোর জন্য উপকারী। ৭টা ১৫ বাজলে প্রাতঃরাশ করতে হবে, কারণ ঘুম থেকে ওঠার আধা ঘন্টের পরই খাওয়ার উপযুক্ত সময়। ৭টা ৩০ এর সময়ে সঙ্গীকে সময় দিন, আর এরপরেই আপনার কাজের জন্য প্রস্তুত হয়ে বাইরে বেরোতে হবে। ঘুম থেকে ওঠার তিন ঘন্টা পর আপনার মনোযোগ সবচাইতে ভাল থাকে তাই এই সময়ে কাজ করুন উদ্যমের সাথে। শুধু তাই নয়, পৌনে ১১টার দিকে ছোট একটা বিরতিও নিতে হবে কাজ থেকে। ব্রেকফাস্টের ঠিক ৪ ঘন্টা পর লাঞ্চ করা ভালো। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভালো করে ডিনার করে নিতে পারেন। সাড়ে ৬টার দিকে ওয়েইট লিফটিং বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। আর ১০টার বাজার পর পরই ঘুমিয়ে পড়া দরকার আপনার। তাহলে পরের দিনটা আবার শুরু করতে পারবেন একদম ফ্রেশ হয়ে।

ফোরজা সাপ্লিমেন্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর লি স্মিথ এ ব্যাপারে দ্যা সানকে জানান, সবার ক্ষেত্রে হয়তো একই কথা প্রযোজ্য নয়, কিন্তু এই সময়গুলো মেনে চলাটাই সবচাইতে ভালো যদি আপনি সুস্থ ও সুখী থাকতে চান। আপনার জীবনচর্চায় ছোট ছোট পরিবর্তন আনাটাই আপনার ওজন কমানো, ফিট হওয়া, কর্মক্ষেত্রে দক্ষ হয়ে ওঠা এমনকি ভালো সঙ্গী হয়ে ওঠার জন্য সাহায্য করতে পারে।

সূত্র: Reader’s Digest, The sun

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button