আইন ও আদালত

ওয়াকফ প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী মোতাহার কারাগারে

ঢাকা, ০৭ নভেম্বর, (ডেইলি টাইমস ২৪):

মসজিদ উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুমতি চাইতে গেলে পাঁচ লাথ টাকা ঘুষ দিতে হবে। ঘুষ বাবদ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে হলো ওই কার্যালয়ের সহকারী প্রশাসক মোতাহার হোসেনকে।

শেষ পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের টিমের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে কারাগারে যেতে হলো তাকে। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম মাহমুদুল হাসান শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এর উপ-সহকারী পরিচালক মো. নাজিম উদ্দীন আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এক প্রতিবেদন দাখিল করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ চেয়ে আবেদন করেন।

রাজধানীর নিউ ইস্কাটন রোডের কার্যালয় থেকে রবিবার দুপুরে মোতাহার হোসেনকে ঘুষের ৫০ হাজার টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। এ সময় তার প্যান্টের পকেট ও আলমারি তল্লাশি করে পাওয়া ৭৯ হাজার টাকার উত্স সম্পর্কে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

পরে তাকে আটক করে রমনা থানায় এনে বাদী হয়ে মামলা করেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এর উপ-সহকারী পরিচালক মো. নাজিম উদ্দীন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার বাঘৈর জামে মসজিদের নামে বিভিন্ন দাগে মোট ১.২৫ একর সম্পত্তি ওয়াকফ করা। ওই মোতওয়াল্লির কমিটির সদস্য মো. ফারুক হোসেন।

মসজিদের উন্নয়নের জন্য ওয়াকফ করা সম্পত্তি থেকে ০.৯৪ একর সম্পত্তি বিক্রয়ের অনুমতি চেয়ে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসক বরবার আবেদন করেন তিনি।দুদক অভিযোগ কেন্দ্রের হটলাইনে সম্প্রতি মো. ফারুক হোসেন অভিযোগ করেন, ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী প্রশাসক মো. মোতাহার হোসেন খান কাজটি করে দেওয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করছেন। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে রবিবার ঘুষ দেওয়ার কথা থাকায় সকাল থেকেইে ওয়াকফ কার্যালয়ে দুদক টিম ওৎ পেতে থাকে। বেলা সাড়ে ১২টায় দুদক টিমের সদস্যরা তাকে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেন।

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button