আন্তর্জাতিক

মিয়ানমারে নৃশংসতার প্রমাণ দেখেছে যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা, ০৯ নভেম্বর, (ডেইলি টাইমস ২৪):

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়ন আইনগতভাবে ‘গণহত্যা’ বা ‘জাতিগত নিধনের’ সংজ্ঞায় পড়ে কি না সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র মন্তব্য না করলেও নৃশংসতার প্রমাণ দেখার কথা জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের সহকারী মন্ত্রী সাইমন হ্যানশ। গত সপ্তাহে মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফর করা ওই মন্ত্রী গত মঙ্গলবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দপ্তরে ব্রিফিংয়ের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘জাতিগত নিধনের’ মতো বিষয় নির্ধারণের দায়িত্ব তাঁর নয়।

তবে তাঁরা নৃশংসতার প্রমাণ পেয়েছেন।

এদিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মত এক বিবৃতিতে রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ও সামরিক বাহিনীর মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগ বন্ধ করে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানানোয় নাখোশ হয়েছে দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির দপ্তর। ওই বিবৃতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের আলোচনায় বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলেও সু চির দপ্তর আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। সুচির দপ্তর বলেছে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের ইস্যুগুলোর সমাধান কেবল দ্বিপক্ষীয়ভাবেই সম্ভব। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বিবৃতিতে বিষয়টিকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে।

সুচির দপ্তরের বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলীকে ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর মিয়ানমার সফরে আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলা হলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওই সময়ে যেতে পারছেন না। কারণ ওই সময়ই রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য চীন, জাপান, জার্মানি ও সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের ওপর বৈশ্বিক চাপ বাড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ ভারত, চীন, থাইল্যান্ড ও লাওসের রাষ্ট্রদূতদের পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফ করার সময়ও বিষয়টি তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মাহমুদ আলী জানান, ২০ ও ২১ নভেম্বর আসেমের বৈঠক শেষে ২২ ও ২৩ নভেম্বর মিয়ানমারে অবস্থান করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা করতে তিনি রাজি আছেন।

 

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button