জেলার সংবাদপ্রধান সংবাদ

বন্যার পানির মত ধেয়ে আসছে মাদক

ঢাকা, ১১ নভেম্বর (ডেইলি টাইমস২৪): ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর) থেকে মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদঃ
বৃহত্তর দিনাজপুর-রংপুরের মাদক ও চোরাচালানের এক মাত্র প্রধান রুট হচ্ছে ঘোড়াঘাট। প্রতিদিন এ রুট দিয়ে আসছে বন্যার পানির মত নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান দ্রব্য। এ রুট দিয়ে কোটি কোটি টাকার মাদকদ্রব্য পাচার হচ্ছে। মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে মরণ নেশা ইয়াবা,হিরোইন,গাঁজা,ফেন্সিডিল ও ভারতীয় দামী মদ। এ সব মাদকদ্রব্য প্রকাশ্যে ও গোপনে পাচার হয়ে আসলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নজর দিচ্ছেন না। একটি সূত্রে জানা গেছে, এসব নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য দিনাজপুরের হিলি,বিরামপুর ও ফুলবাড়ীর সীমান্ত পথ দিয়ে পাচার হয়ে আসছে। সীমান্ত পথে পাচার হয়ে আসা মাদকদ্রব্য অটোবাইক,অটো রিকসা,অটোভ্যান,বাইসাইকেল,ও মটর সাইকেলযোগেদিনাজপুরেরনবাবগঞ্জ,উপজেলারচড়ারহাট,দলারদরগা,ধিওড়,মতিহারা,ভাদুরিয়া,নবাবগঞ্জসদর,দাউদপুর,আফতাবগঞ্জ,কাচদহ,রংপুরেরপীরগঞ্জউপজেলারদুধিয়াবাড়ী,ন্যাংড়ারঘাট,শালপাড়ারঘাট,জন্তিপুর ঘাট,জয়তের ঘাট, কুলানন্দপুর ঘাট,কুমারপুর ঘাট হয়ে রংপুরের চতরা হাট,খালাশপীরহাট,ভেন্ডাবাড়ী,ও বড় দরগা হয়ে বিভিন্ন এলাকায় পাচার হচ্ছে। মোটা অংকের মজুরীর বিনিময়ে এক শ্রেনির ব্যক্তি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌছে দিচ্ছে এ সব মাদক দ্রুব্য। অপর দিকে দিনাজপুর-বগুড়া ও হিলি-বগুড়া সড়ক দিয়ে কোচ,ট্রাক,বাস,মাক্রবাস,মটর সাইকেল সহ বিভিন্ন যানবাহন যোগে ঘোড়াঘাটের ডুগডুগি হাট,বলাহার হাট,উসমানপুর সদর,ঘোড়াঘাট পৌর সদর,হরিপাড়া হাট,বলগাড়ী হাট,রানীগঞ্জ,বিরাহিমপুর গুচ্ছগ্রাম ও মিশনে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার এসব মরণ নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য আনা হচ্ছে। সেখান থেকে গাইবান্ধা সদর, পলাশবাড়ী,সাদুল্লাপুর,সুন্দরগঞ্জ,সাঘাটা,গোবিন্দগঞ্জ সদর সহ বগুড়ার বিভিন্ন এলাকায় পাচার করা হচ্ছে। গভীর রাত হলে মাদক ব্যবসায়ীরা এ সব স্থান থেকে দুর পাল্লার নৈশ্যকোচ মাল বোঝাই ট্রাক, মাইক্রোবাস যোগে রাজধানী সহ দেশের দক্ষিণা লে ও রাজধানীর কাচাকাছি জেলা গুলোতে পাচার করা হয়। নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা যায়,নৈশ্য কোচের চালকের সিটের নীচে বিশেষ কৌশলে তৈরী করা বক্সে করে এবং মালবাঝাই ট্রাক ও মাইক্রোবাস যোগে পাচার করা হচ্ছে। এক শ্রেনির বিত্তবানরা এসব কারবারে লিপ্ত। বরাবরই এরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। প্রতিদিন উল্লেখিত স্থানে রীতিমত নেশা দ্রব্যের আড়ৎ খুলে বাজার বসে।সেখানে লোকজন আড়ৎ খুলে বসেছে। নেশাদ্রব্য কারবারীদের সাথে কতিপয় বিশেষ ব্যক্তির অলিখিত মাসোয়ারা চুক্তি রয়েছে। চুক্তির বর খেলাপ হলে সংশ্লিষ্ট কারবারীর মালামাল আটক করা হয়। এসব নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য শুধূ এলাকার বাইরেই পাচার করা হয় না,স্থানীয় চাহিদারও যোগান দেওয়া হয়। এসব এলাকায় হাত বাড়ালেই ইয়াবা,হিরোইন,ফেন্সিডিল ও গাঁজা অনায়াসেই পাওয়া যায়। যার কারণে স্কুল,কলেজের ছাত্র/ছাত্রী ও উঠতি বয়সের যুবকেরা নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। ফলে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড বাড়ছে।

ঢাকা, ১১ নভেম্বর (ডেইলি টাইমস২৪)/আর এ কে

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button