অর্থ ও বাণিজ্যলিড নিউজ

বেনাপোল বন্দরে আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ

ঢাকা,১৪জানুয়ারি, (ডেইলি টাইমস২৪): বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
দেশের সর্বোবৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল দিয়ে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সাথে আমদানি রফতানি বন্ধ রয়েছে। কাস্টমস এর হয়রানী ও সিএন্ডএফ সদস্যর কাস্টমস পারমিট কার্ড বাতিলের কারনে বেনাপোল সিএন্ডএফ কর্মচারী স্টাফ এ্যাসোসিয়েশন আমদানি রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা দিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টা থেকে দুই দেশের আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ হয়। তবে উভয় দেশের দুপাশে আমদানি রফতানি পণ্য নিয়ে প্রবেশ এর অপেক্ষায় শত শত পণ্য বোঝাই ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে।

সুত্র মতে বুধবার রাত্রে বেনাপোল স্থল বন্দরের খলিলুর রহমান এন্ড সন্স নামে একটি সিএন্ডএফ এর আমদানিকৃত পণ্য বাহী (ডাব্লিউ ডি এ-৬৬০৩ ) ট্রাক থেকে ২০০ বোতল ফেনসিডিল ও বিভিন্ন প্রকার ঔষধ জব্দ করে বেনাপোল কাস্টমস এর গোয়েন্দা শাখা। এরপর ওই সিএন্ডএফ এর বর্ডারম্যান আক্তার হোসেনকে মাদক ও ঔষধ পাচারের সাথে দায়ী করে কাস্টমস প্রদত্ত পরিচয়পত্র বাতিল করে। এ ঘটনায় স্থানীয় সিএন্ডএফ কর্মচারীরা কাস্টমস এর হঠকারী সিদ্ধান্ত তুলে নেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।

বেলা সাড়ে ১১ টার সময় বেনাপোল সিএন্ডএফ কর্মচারী ইউনিয়ন স্টাফ এ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি মুজিবুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান এর নেতৃত্¦ে একটি বিক্ষোভ মিছিল বেনাপোল চেকপোষ্ট থেকে বের হয়ে কাস্টমস হাউজ এর সামনে যেয়ে শেষ হয়। এর পর কাস্টমস হাউজের সামনে যশোর বেনাপোল মহাসড়কের উপর সমাবেশ করেন। সমাবেশে কাস্টমস পারমিট কার্ড কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে দশ দফা দাবিতে কাস্টমস এর সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ডস স্টাফ এ্যাসোসিয়েশন এর সদস্যরা। দশ দফা দাবি গুলো হলো ১। কাস্টমস এর অধীনে পোষ্টিং মানি না, ২। কোন ভারতীয় ট্রাকে অবৈধ মালামালের জন্য ষ্টাফ এসোসিয়শনের সদস্য দায়ী থাকবে না। ৩। কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ব্যতিরেকে কাস্টমস সরকার পারমিট কার্ড বাতিল মানবো না, ৪। ষ্টাফ এসোসিয়শনের কোন সদস্যের সাথে অসদাচরণ করা চলবে না, ৫। যত্রতত্র কাস্টমস সরকার পারমিট কার্ড/লাইসেন্স বাতিল করা মানিনা, ৬। এনজিও কর্মি মুক্ত কাস্টমস চাই। ৭। ষ্টাফ এসোসিয়শনের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে ষ্টাফ এসোসিয়শনকে অবহিত করতে হবে, ৮। যোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাস্টমস সরকার পারমিট পরিবর্তন করতে হবে, ৯। সুষ্ঠ কর্ম পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে, ১০। বর্ডারে এন্ট্রি পয়েন্টে প্রত্যেক ভারতীয় ট্রাক ১০০% চেক করে ঢোকানো হোক। এ্যাসোসিয়েশন নেতারা বলেন করোনা কালীন সময়ে কোন বর্ডারম্যান ভারতে যায় না। ভারত থেকে হেলপার ও চালকরা পণ্য বোঝাই আমদানি পণ্য নিয়ে আসে। এবং বাংলাদেশে প্রবেশের পর যদি বাংলাদেশ গেটে আমদানি গাড়ি তল্লাশি করে তবে কোন মাদক বা অন্য ধরনের পণ্য প্রবেশ করতে পারে না। আমাদের দাবি শতভাগ গাড়ি চেক করার পর যদি তারপরও কোন মাদক পাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে কোন সিএন্ডএফ কর্মী দায়ী াকবে না। বর্ডারম্যান আক্তরুজ্জামান বলেন, ভারতীয় ট্রাকে ফেনসিডিল ও ঔষুধ পেয়েছে। তাদের আটক না করে আমাকে হয়রানী ও কার্ড বাতিল করা হলো কেন। আমি এই অবৈধ পণ্য পাচারের সাথে জড়িত নই।

ঢাকা,১৪জানুয়ারি, (ডেইলি টাইমস২৪)//আর এ কে:

 

Show More

আরো সংবাদ...

Back to top button